ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বে ভোগান্তি ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে
যুক্তরাজ্যের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে সোমবার (১৫ জুন) উল্লেখযোগ্য ফ্লাইট বিঘ্নের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাজ্যের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে সোমবার (১৫ জুন) উল্লেখযোগ্য ফ্লাইট বিঘ্নের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে একাধিক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বিমানবন্দরের সর্বশেষ ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ছয়টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে তিনটি আগমন এবং তিনটি প্রস্থান ফ্লাইট রয়েছে।
বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ থেকে পরিচালিত সব বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে তুরস্কের জনপ্রিয় পর্যটন নগরী বোদরুম ও আনতালিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিগামী রুট। বাতিল হওয়া প্রস্থান ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে সানএক্সপ্রেসের এক্সকিউ-৩১৩৫ ফ্লাইট, যা স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বোদরুমের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এছাড়া ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ইওয়াই-০৭৪ ফ্লাইটটি দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আবুধাবির উদ্দেশ্যে এবং সানএক্সপ্রেসের এক্সকিউ-৫৩৫ ফ্লাইটটি বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে আনতালিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার কথা ছিল।
একইভাবে আগমন ফ্লাইটগুলোর মধ্যেও তিনটি বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বোদরুম থেকে সানএক্সপ্রেসের এক্সকিউ-৩১৩৪, আবুধাবি থেকে ইতিহাদের ইওয়াই-০৭৩ এবং আনতালিয়া থেকে সানএক্সপ্রেসের এক্সকিউ-৫৩৪ ফ্লাইট রয়েছে। এসব ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণকারী অনেক যাত্রী বিপাকে পড়েছেন।
শুধু বাতিলই নয়, বিমানবন্দরে আরও বেশ কয়েকটি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ২০ মিনিট থেকে দুই ঘণ্টারও বেশি দেরিতে পরিচালিত হচ্ছে। বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, পর্তুগালের ফারো, যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস, ফ্রান্সের নিস এবং কাতারের দোহা থেকে আসা বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
বিশেষ করে সানএক্সপ্রেসের এক্সকিউ-৪০৫১ ফ্লাইটটি ফারো থেকে ৯০ মিনিটের বেশি বিলম্বে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে ভার্জিন আটলান্টিকের ভিএস-৮৬ ফ্লাইট, যা লাস ভেগাস থেকে আসছে, সেটি নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দুই ঘণ্টারও বেশি দেরিতে অবতরণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে। চলমান এই বিঘ্নের কারণে অনেক যাত্রীকে বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে হচ্ছে এবং বিমানবন্দরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে এমন বিঘ্ন আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে এবং যাত্রীসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
