স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রতিবেশী পর্তুগালে মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫শ’। টানা লকডাউনে দু’দেশেই বেকার হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। পর্তুগালে গত দুই দিনে আরো ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে।
দফায় দফায় লকডাউন বাড়তে থাকায় বিপর্যস্ত স্পেন ও পর্তুগালের জনজীবন। নিম্নমুখী জিডিপির পাশাপাশি দুদেশেই বেকার হওয়া কয়েক লাখ নাগরিক হতাশা নিয়ে দিন পার করছেন৷ এছাড়া পর্তুগাল ও ফ্রান্সের সাথে সীমান্তে কড়াকড়ির মেয়াদ পহেলা মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে স্পেন।
এদিকে, হঠাৎই পর্তুগালে বাড়তে শুরু করেছে আক্রান্ত বাংলাদেশির সংখ্যা। অধিকাংশ বাংলাদেশিদের সব কার্যক্রম ও বসবাস একই এলাকা থাকায় শঙ্কিত সেসব এলাকায় থাকা বাংলাদেশিরা। তারা বলেন, বাংলাদেশি যাদের পজিটিভ ধরা পরবে তাদের এখানে নিয়ে আসবো। যাতে তার কারণে অন্যদের ছড়িয়ে না পরে। আমাদের এই প্রাইভাট আইসোলেশন আসলে সবার মঙ্গলের কথা চিন্তা করেই। আমরা সারা পেয়েছি।
প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়ে আইন মেনে বাসায় থাকার পরামর্শ কমিউনিটি ব্যক্তিদের। তারা বলেন, এখানকার প্রশাসন খুব কঠিন। রাস্তায় বের হলেই পরিচয়পত্র চাইবে। না দেখাতে পারলে আরো সমস্যা পরতে হবে। সুতরাং ঘরে থাকায় এখন সবচেয়ে ভাল।
জরুরি অবস্থার নিয়ম ভাঙায় ১শ’ ৪২ জনকে বিভিন্ন সাজা ও ৩শ’ ৫৪টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে পর্তুগাল প্রশাসন।