‘সরকারের আহম্মকির কারণে করোনায় অব্যবস্থাপনা’ বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী ও আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে যে, বাংলাদেশ সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে এগুচ্ছে, সেখানে রিজভী আহমেদসহ কারও কারও বক্তব্যে মনে হয়, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চেয়েও স্বাস্থ্য বিষয়ে বেশি জ্ঞান রাখে।
সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয় থেকে অনলাইনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী এই সংকটের সময় মানুষের জীবন এবং জীবিকা রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার প্রথম থেকেই নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, সেটি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমনকি বিশ্ব বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা করে মানুষের জীবিকা রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ব বিখ্যাত দ্য ইকোনমিস্ট পত্রিকায় প্রশংসা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এখন অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর ওপরে। এমনকি ভারত, পাকিস্তান, চীনের চেয়েও এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক ভালো।
আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, কেউ প্রশংসা করুক আর না করুক, এটিই হচ্ছে বাস্তবতা।
বিএনপিকে পেছনে ফিরে তাকানোর অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের কথা। ১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের সময় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বিমান বাহিনীর অনেকগুলো যুদ্ধ বিমান ছিল। সেই বিমানগুলো তারা উড়িয়ে ঢাকায় না নিয়ে আসার কারণে, প্রায় এক ডজনেরও বেশি বিমান সেদিন ঘূর্ণিঝড়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ধ্বংস হয়েছিল। চট্টগ্রাম বন্দরের জাহাজগুলোকেও সেদিন তারা উজানে নিয়ে যেতে পারতো, সেটি না করার কারণে অনেকগুলো জাহাজ সেদিন নষ্ট হয়েছিল। এমনকি নোঙর ছিঁড়ে জাহাজ রাস্তার ওপর উঠে এসেছিল। অর্থাৎ তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন খালেদা জিয়ার সরকারের আহম্মকির কারণে এই ঘটনাগুলো ঘটেছিল। সেই আহম্মকের ভাগাড়ে বসে রিজভী আহমেদ নিজেই আহম্মকের মতো কথা বলছেন।