করোনা সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল শুরু হলেও তাতে থাকবে নানা ধরনের বাধ্যবাধকতা। আগের মতো শতভাগ যাত্রী নিতে পারবে না ফ্লাইটগুলো। যাত্রী ও ক্রুদের মেনে চলতে হবে নানা ধরনের কমপ্লায়েন্স। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইকাও) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মেনে ফ্লাইট চলাচলে আনা হচ্ছে অনেক পরিবর্তন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইনসগুলোকেও নতুন নিয়মেই চালাতে হবে ফ্লাইট। ফলে বিমান সংস্থার পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাবে, বাড়বে টিকিটের দাম, কমবে যাত্রী।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিমান চলাচল শুরু করতে চাই। আমরা এয়ারলাইনস এবং বিমানবন্দরগুলোকে এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলেছি। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। বিমানের ভেতর পুরো ছিটে যাত্রী নিতে পারবে না। একটি বিমানবন্দরে তিনটি প্লেন একসঙ্গে যাওয়ার সক্ষমতা থাকলেও ৪৫ মিনিট পর পর প্লেনের যাত্রী আসবে। প্রতিটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর সংক্রমণমুক্ত করাসহ বেশ কিছু সুরক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট কিনতে হবে।’