অভ্যন্তরীণ রুট চালু হলেও প্রতিটি ফ্লাইটে যাত্রী সংখ্যা উড়োজাহাজের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশের বেশি থাকতে পারবে না বলে বেবিচকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধি করা হতে পারে। এ কথা জানিয়ে এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এওএবি) মহাসচিব ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মফিজুর রহমান বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট বন্ধ রাখার যৌক্তিক কোনো কারণ আমরা দেখছি না। আমরা কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্লাইট পরিচালনা করব। সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ফ্লাইটে যাত্রীও অর্ধেক থাকবে। একটি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রীরা আসনে বসবেন। তাই বিপদ দেখছি না। তবে বেবিচক বা সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি।’
গত ২১ মার্চ থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাব না কমায় কয়েক দফা এ নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ মে পযর্ন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে এর মধ্যে কয়েকবার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট সীমিত পরিসরে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় সেটি কার্যকর হয়নি। ফ্লাইট চালু না হলেও ১০ মে বেবিচকের এক সার্কুলারে ভবিষ্যতে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করে নিরাপদে বিমান চলাচল করতে যাত্রী, বিমানবন্দর, বিমান সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টদের মোট ৩৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাসসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে এ নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।