ব্যপকভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ৮টি শহরের সঙ্গে যুক্ত বিমান চলাচল ৬ জুলাই থেকে বন্ধ করতে চাইছে মমতা সরকার।
দেশের যে সমস্ত এলাকাগুলিতে করোনার প্রকোপ বেশি, সে সব শহরের সঙ্গে যুক্ত বিমান চলাচল বন্ধ করতে ইতিমধ্যেই অসামরিক বিমান মন্ত্রককে চিঠিও দেওয়া হয়েছে মমতা সরকার।
ব্যপকভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ৮টি শহরের তালিকায় রয়েছে দিল্লি, মুম্বই সহ পুনে, নাগপুর, চেন্নাই, ইন্দোর, আহমেদাবাদ এবং সুরাটও। সূত্র মারফৎ এমনই জানা গিয়েছে।
অসামরিক বিমান মন্ত্রকে রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, ব্যপকভাবে ছড়িয়ে পড়া সমস্ত শহর থেকে চলাচল বন্ধ করতে হবে। অন্যান্য জায়গাগুলিতে প্রতিটি সংস্থার একটি করে উড়ান চলবে। কলকাতা, অণ্ডাল ও বাগডোগরার মধ্যে বিমান চলাচল সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
যে সমস্ত রাজ্যে করোনার প্রকোপ বেশি, সেখান থেকে লোকজনের রাজ্যে ঢোকা বন্ধ করে দেয় তামিলনাড়ু ও কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলি।
তবে সর্বশেষ নির্দেশিকায়, এই ধরণের নীতি কিছুটা লাঘব করেছে সরকার।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরে বেশ কিছু ক্ষেত্রে কাজের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি।
কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, “ব্যক্তি ও সামগ্রির আন্তঃরাজ্য ও অন্তঃরাজ্য যাতায়াতে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই”। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “এই ধরণের যাতায়াতে কোনও পৃথক অনুমতি, অনুমোদন, ই-পারমিট প্রয়োজন নেই”।
করোনা ভাইরসে দিল্লিতে আক্রান্ত ৮০,০০০ জন, এটি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম, সবচেয়ে ওপরে মহারাষ্ট্র। মুম্বইয়ে আক্রান্ত ১.৮৬ লক্ষ। তৃতীয়স্থানে তামিলনাড়ু, তারমধ্যে অনেকেই রাজধানী চেন্নাইয়ের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪০। দেশে করোনায় মৃত বেড়ে ১৬ হাজার ৮৯৩।
তবে একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তেমনি সুস্থও হচ্ছেন অনেকে। এখনও পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮২২ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ২ লক্ষ ১৫ হাজার ১২৫।