চীনা যুদ্ধবিমান কাশ্মীরের পাকিস্তানি ঘাঁটিতে, ভারতে হামলার জন্যই প্রস্তুতি?

লাদাখ সীমান্তের গলওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাসংঘর্ষের পর চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও চীনের মধ্যে। সতর্ক অবস্থানে আছে সেনারা।

মঙ্গলবার পূর্ব লাদাখের চুসুল-মলডো সীমান্তে দু’দেশ বৈঠকে বসেছিল। কিন্তু বৈঠকে সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। ভারত প্যাংগং ও গালওয়ান উপত্যকায় দখল করা জমি ছাড়তে বললে চীন উল্টা লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনা কমানোর চাপ দেয়। এমন এক পরিস্থিতিতে জানা গেল, পাকিস্তানি ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীনা বিমান বাহিনী। নিচ্ছে প্রস্তুতিও।

ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদের মধ্যে চীন পাকিস্তানকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তানের অধীনে থাকা কাশ্মীরের স্কার্দু বিমান ঘাঁটিকে কাজে লাগাচ্ছে।

সেখানে চীনের বিমান বাহিনীর মুভমেন্ট দেখতে পেয়েছে ভারতের এজেন্সি। তারা সতর্ক করে দিয়েছে ভারতকে। তাদের দেওয়া খবর অনুযায়ী ৪০টিরও বেশি চীনা ফাইটার জেট ‘জে-১০’ স্কার্দুতে দেখা গেছে। এমন অবস্থায় ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে, চীনা বিমান বাহিনী ভারতে হামলার জন্য এই বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পাকিস্তানের এই বিমান ঘাঁটিটি ভারতশাসিত লাদাখের লেহ নামক একটি শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যেকোনো চীনা বিমান ঘাঁটি থেকে এটা ভারতের অনেক কাছে। এই জন্যে চীন স্কার্দু বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে নিজের শক্তি পরীক্ষা চালাতে চায়। যাতে ভারতের একদম কাছ থেকে ভারতের ওপর হামলা চালানো যায়। তাই ভারতকে এবার ২টি আলাদা সীমান্তে লড়াইয়ের জন্য তৈরি থাকতে হচ্ছে।

স্কার্দু বিমান ঘাঁটি ভারতশাসিত লাদাখের কারগিল থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে। এই বিমান ঘাঁটির ২টি রানওয়ে আছে। একটি আড়াই কিলোমিটার লম্বা, আর দ্বিতীয়টি সাড়ে তিন কিমি লম্বা। চীনা ফাইটার জেট এই বিমান ঘাঁটি থেকে আক্রমন করে আবার সেখান থেকে ফিরে যেতে পারবে। আর ভারত যদি স্কার্দুতে পাল্টা হানা দেয় তাহলে যুদ্ধ শুরু করার সহজ বাহানা পেয়ে যাবে পাকিস্তান।

সূত্র: নিউজ এইটিন।

Comments (0)
Add Comment