করোনা মহামারীতে ছাটাই হচ্ছে তুরস্কের এয়ালাইন্স কর্মীরা। তবে এয়ালাইন্সের বিদেশি পাইলট ও কেবিন ক্রুদের আগে ছাটাই করার নির্দেশ দিয়েছে তুরস্ক সরকার।
চিঠির নির্দেশ অনুযায়ী, কোম্পানিগুলো তাদের পরিকল্পনা তৈরি শুরু করেছে। খবর আল জাজিরার।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, আঙ্কারা ভিত্তিক ডিরেক্টর জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (এসএইচজিএম) টার্কিশ এয়ারলাইন্সসহ ১০ কোম্পানিকে এ ব্যাপারে চিঠি পাঠিয়েছে।
এয়ারলাইন্সে এই ছাটাই অভিযান এখন বিশ্বব্যাপী চলছে। তুরস্কের এয়ালাইন্সে বহু বিদেশি কর্মী কাজ করছে যা তাদের মোট কর্মী সংখ্যার ১১ শতাংশ।
অবশ্য এভিয়েশনে ছাটাই নিয়ে সরকার শ্রমিক ইউনিয়নের চাপের মুখে রয়েছে। প্রায় ১৩ ভাগ কর্মী ইতোমধ্যে ছাটাই করা হয়েছে।
হাভা সেন লেবার গ্রুপ, যাদের ১৫০০ বিমানকর্মী রয়েছে, তারা এসএইচজিএমকে জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে বিদেশি কর্মীদের ছাটাই করা হবে। দেশি কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে চাকরিতে বহাল রাখা হবে। গ্রুপটি বলছে, করোনাভাইরাস মহামারীতে আমাদের নিজস্ব জনশক্তি পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগানো উচিত। টার্কিশ নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন নেশন্সের বৈষম্যমূলক আচরণ দূর করা উচিত।
এসএইচজিএমের চিঠিতে বলা হয়েছে, এভিয়েশনে বিদেশি কর্মী কমাতে চায় কর্তৃপক্ষ। সুতরাং দেশি কর্মীরা আর অসুবিধার মধ্যে থাকবে না। ছাটাই অভিযান কর্মীদের মধ্যে খুব কমই প্রভাব ফেলবে।
পেগাসাস এয়ারলাইন্স, লুফথানসা এজি এবং এমএনজি এয়ারলাইন্সও চিঠিটি পেয়েছে। তবে টার্কিশ এয়ারলাইন্স চিঠিটির জবাব এখনও দেয়নি।
পেগাসাস এয়ারলাইন্সের প্রধান মেহমেত নানে জানিয়েছেন, বিদেশি কর্মী ছাটাইয়ে তাদের কোম্পানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। তাদের ৬০০০ কর্মীর মধ্যে বিদেশি কর্মী মাত্র ১০০ জন। টার্কিশ এয়ারলাইন্স ইতোমধ্যে ইউনিয়নের সঙ্গে পাইলটদের বেতন কাটা ও সুযোগ-সুবিধা কমানোর বিষয়ে বাদানুবাদ শুরু করেছে ।
সূত্র: আলজাজিরা, ব্লুমবার্গ