বছরের প্রথমার্ধে নরওয়েজিয়ান এয়ার শাটলের ক্ষতি চার গুণ

২০২০ সালের প্রথমার্ধে চার গুণ হয়েছে সাশ্রয়ী বিমান পরিবহন সংস্থা নরওয়েজিয়ান এয়ার শাটলের ক্ষতি। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হলেও এয়ারলাইনটি আগে থেকেই সংকটের মধ্যে ছিল। খবর এএফপি।

কভিড ১৯ সংক্রমণের প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে নরওয়েজিয়ান এয়ার শাটলের যাত্রী সংখ্যায় পতন হয়েছে ৭১ শতাংশ। এ সময় গ্রাউন্ডেড অবস্থায় রাখতে হয়েছে সংস্থাটির ১৪০টি উড়োজাহাজ। ব্যয়সংকোচনের পদক্ষেপ হিসেবে ছাঁটাই কিংবা সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে আট হাজার কর্মীকে। মূলত করোনাবিশ্বের প্রায় সব বিমান পরিবহন সংস্থার মতো নরওয়েজিয়ান এয়ার শাটলকেও কার্যত শীতনিদ্রায় যেতে বাধ্য করে। এ সময় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে নামমাত্র।

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাহী জ্যাকব শ্রাম বলেন, সত্যি বলতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিমান পরিবহন খাতে এ ধরনের বড় বিপর্যয় আর দেখা যায়নি। ফলে এ সংকট নিশ্চিতভাবেই নরওয়েজিয়ান এয়ার শাটলকেও ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ইউরোপের তৃতীয় বৃহত্তম এ সাশ্রয়ী এয়ারলাইনের ২০২০ সালের প্রথমার্ধে নিট ক্ষতি হয়েছে ৫৪০ কোটি ক্রোনার। এক বছর আগে একই সময়ে বিমান পরিবহন সংস্থাটির ক্ষতি হয়েছিল ১৪০ কোটি ক্রোনার।

শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকে ক্ষতি হয়েছে ১৫০ কোটি ক্রোনার। এর আগে বিমান পরিবহন সংস্থাটি পুনরুদ্ধার প্যাকেজের সহায়তায় কোনো মতে দেউলিয়াত্ব এড়াতে পেরেছে। শ্রাম বলেন, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের আরো সহায়তার প্রয়োজন, যাতে আমরা সামনের কঠিন সময় মোকাবেলা করতে পারি।

মূলত মহামারীর সর্বোচ্চ প্রকোপকালে কয়েক মাসে বিমান পরিবহন সংস্থাটি শুধু দেশের অভ্যন্তরে ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র সাত আটটি উড়োজাহাজ। তবে ১ জুলাই থেকে বর্তমানে ৭৬টি রুটে ২০টি উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।

Comments (0)
Add Comment