ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে।
এই মুহুর্তে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে তীব্র লড়াই চলছে দেশ দুটির সেনাদের মধ্যে।
ফলে সর্বত্র এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।
রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের এয়ারলাইন শিল্পে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইউক্রেন আগ্রাসনের পর পশ্চিমাদের একের পর নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে রাশিয়া। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য রাশিয়ার জাতীয় এয়ারলাইন্স অ্যারোফ্লোটের চলাচল নিষিদ্ধ করে।
শুক্রবার আরও দুটি ইউরোপীয় দেশ রাশিয়ার বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এদিকে, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে, এটি বিমানের যন্ত্রাংশ রপ্তানির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা এঁটে দেবে।
পোল্যান্ড এবং চেক রিপাবলিকও জানিয়েছে, তারাও রাশিয়ার সঙ্গে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।
জাপান এয়ারলাইন্সও বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মস্কোর সঙ্গে তাদের একটি ফ্লাইট বাতিল করে।
এছাড়া, বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর কিয়েভ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।
বেলারুশও আকাশসীমা আংশিক বন্ধ করেছে।