কক্সবাজার থেকে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নারীসহ ১১ রোহিঙ্গা। টিকিট ওকে হলেই কক্সবাজার ত্যাগ করতেন।
তাদের আচরণ সন্দেহজনক হলে কাউন্টারের সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ তিন লাখ টাকা জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- ক্যাম্প ১৭-এর ৭২ ব্লকের বাসিন্দা মৃত নজরুলের ছেলে মো. নূর, একই ক্যাম্পের আবু তাহেরের ছেলে মো. নূর, ক্যাম্প-২ এর আই ব্লকের বাসিন্দা আবুল কাশেমের ছেলে মো. আয়াজ, ক্যাম্প ২৬ এর আই ব্লকের বাসিন্দা মৃত লাল মিয়ার ছেলে আব্দুল হক, একই ক্যাম্পের আব্দুর শুক্কুরের ছেলে রবি আলম ও তার ভাই আবু বক্কার সিদ্দিক, একই ক্যাম্পের এ/১০ ব্লকের নুর আলমের ছেলে ওসমান, ক্যাম্প-১৭ এর ৭২ ব্লকের বাসিন্দা মৃত সলিমুল্লার ছেলে রেজাউল করিম, ক্যাম্প ৮ ইস্ট এর বি/৭৪ ব্লকের নুরুল আমিনের ছেলে মো. আজিজ, ২৬নং ক্যাম্পের আই ব্লকের দীল মোহাম্মদের ছেলে মো. ফয়সাল এবং আব্দু শুক্কুরের মেয়ে রহিমা।
৮-এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করছেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরে কনকোর্স হলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কাউন্টারের সামনে বিমানের জন্য অপেক্ষারত এক মহিলা এবং দশ পুরুষের গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তাদের আটক করেন এপিবিএন সদস্যরা।
আটকের পর তারা রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইউএস বাংলার ২টি, নভোএয়ারের ২টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫টি টিকিট পাওয়া যায়।
এ সময় পৃথকভাবে তাদের তল্লাশি করে নগদ ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
এছাড়া ফয়সাল নামক আটক এক ব্যক্তির কাছে দুইটি ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র, একটি আইএফআইসি ব্যাংকের ডেবিট কার্ড পাওয়া যায়।
উদ্ধারকৃত মালামালসহ আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, তারা কেন ঢাকা যাচ্ছিল? এ সংক্রান্তে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা নিয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত আছে।
একই সাথে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ৮-এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. কামরান হোসেন।