বর্তমানে বিশ্ববাজারে জেট ফুয়েলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় (প্রতি ব্যারেল প্রায় ১৯৫.১৯ ডলার) বিশ্বজুড়ে এয়ারলাইনস ব্যবসায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইনসগুলো তাদের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রেখেছে।
এয়ার ফ্রান্স, ক্যাথে প্যাসিফিক বা ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের মতো বৈশ্বিক সংস্থাগুলো যখন জ্বালানির খরচ সামলাতে ভাড়া বাড়াচ্ছে বা ফ্লাইট কমিয়ে দিচ্ছে, তখন এমিরেটস, ইতিহাদ এবং ফ্লাইদুবাই তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় আছে।
এয়ার ফ্রান্স, ক্যাথে প্যাসিফিক বা ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের মতো বৈশ্বিক সংস্থাগুলো যখন জ্বালানির খরচ সামলাতে ভাড়া বাড়াচ্ছে বা ফ্লাইট কমিয়ে দিচ্ছে, তখন এমিরেটস, ইতিহাদ এবং ফ্লাইদুবাই তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় আছে।
এর প্রধান কারণ হলো তাদের বিশাল অঙ্কের মুনাফা এবং সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা।
এমিরেটস এয়ারলাইনস তাদের সর্বশেষ আর্থিক বছরে বড় অঙ্কের মুনাফা এবং প্রায় ৪৯.৭ বিলিয়ন দিরহাম নগদ অর্থ হাতে রেখেছে।
যদিও তাদের মোট পরিচালন ব্যয়ের ৩০% খরচ হয় জ্বালানিতে, তবুও তারা তেলের দামের ওঠা-নামা সামলে নেওয়ার মতো সক্ষমতা রাখে।
এছাড়া ‘হেজিং’ (আগেভাগে দাম নির্ধারণ করে রাখা) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা বড় ধরনের লোকসান থেকে নিজেদের রক্ষা করছে।
ইতিহাদ এয়ারলাইনস গত বছর রেকর্ড যাত্রী পরিবহন করেছে এবং তাদের মুনাফাও বেশ সন্তোষজনক।
অন্যদিকে, ফ্লাইদুবাই তাদের কর্মদক্ষতা ও নগদ অর্থের মজুত দিয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। তারা এখনই ভাড়া না বাড়িয়ে বাজার পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে।
যেখানে বিশ্বের অনেক এয়ারলাইনস ১০% থেকে ১৫% ভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছে বা হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করছে, সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাহকগুলো তাদের আর্থিক সক্ষমতার কারণে এখনই বড় কোনো দাম বাড়ানোর চাপে নেই।
তবে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের মৌসুমে তারা এই বর্তমান দাম কতদিন ধরে রাখতে পারবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।