চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুই দিনে ১৯ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়ছে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থায়।
এর ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত শনি ও রবিবার (৪ ও ৫ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আগত মোট ১৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী যাত্রী।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে (৪টি আগমনী ও ৩টি বহির্গামী)।
বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার ৪টি, এয়ার আরাবিয়ার ৪টি (শারজাহ রুট) এবং সালাম এয়ারের ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, আকাশপথের এই অস্থিরতার মধ্যেও গত দুদিনে ১৩টি অ্যারাইভাল ও ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিল।
তবে শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
মূলত ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলা এবং হরমুজ প্রণালীসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় সামরিক উত্তজনা বৃদ্ধির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক এয়ারলাইন্স তাদের কার্যক্রম কমিয়ে দিয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান যুদ্ধাবস্থার কারণে শাহ আমানত বিমানবন্দরে এ পর্যন্ত সর্বমোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফেরা এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সমস্যা আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Comments (0)
Add Comment