নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজার প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। কিন্তু সংরক্ষণ করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এর সুফল নিতে পারবে না বাংলাদেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
প্রতি ব্যারেল আরব লাইট তেলের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৩৬৮ টাকায়। অর্থাৎ গত এক মাসের ব্যবধানে দুই ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমেছে যথাক্রমে ৫০ ও ৪৫ শতাংশ।
সংস্থাটির বিপণন বিভাগের পরিচালক সারওয়ার আলম জানান,আগে প্রতিদিন ১ হাজার ২৩৯ টন জেট ফুয়েল প্রয়োজন হতো বিমান খাতে। কিন্তু বর্তমানে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় তা ৮১ টনে নেমে এসেছে। ব্যাপক হারে চাহিদা কমেছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনসহ অন্যান্য জ্বালানি তেলের। ফলে পণ্যটির মজুত বেড়ে ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
বিপিসির জ্বালানি তেল সংরক্ষণাগারের পুরোটাই প্রায় পরিপূর্ণ। করোনাভাইরাসের কারণে চাহিদাও কমেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও জ্বালানি তেল মজুত করতে পারছে না রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এমনকি মজুত করা তেল নিয়েও বিপাকে পড়েছেন তারা।