উল্লেখ্য, হাদী ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মুফতী হেদায়াতুল্লাহ হাদী গত বুধবার ভারপ্রাপ্ত ধর্ম সচিব মোঃ আব্দুল জলিলের দপ্তরে তার সাথে দেখা করে দেড়শ’ কোটার হজযাত্রীদের বিলম্বে প্রাক-নিবন্ধন সংক্রান্ত সংকট নিরসনের জন্য একটি প্রস্তাব হস্তান্তর করেন। সরকারী নিদের্শনা উপেক্ষা করে সর্বনি¤œ কোটার কমে যাদের হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন করা হয়েছে তাদের জন্য যারা আইনকে শ্রদ্ধা করেছে সেসব হজ এজেন্সি ইচ্ছা থাকা সত্বেও যথাসময়ে সর্বনি¤œ (১৫০) হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারেননি। তারা এখন বৈধ হজযাত্রী নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।
গম ২৩ মার্চ বিকেলে বেসরকারী হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্ত ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নিযুক্ত আইটি ফার্মের সার্ভারে দফায় দফায় বিপর্যয় দেখা দেয়। এতে হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর দিন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (হজ-২) মোঃ শহিদুল্লাহ তালুকদার এক সার্কুলারে হজ এজেন্সিগুলোকে সর্তক করেন যে, সউদী-বাংলাদেশ দ্বি-পাক্ষিক হজ চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছর হজযাত্রীর সর্বনি¤œ কোটা ১৫০জন নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত সর্বনি¤œ কোটা দেড়শ’ হজযাত্রীর কমে যাতে উইজার আইডি ব্যবহার করা না হয়। যাদের দেড়শ’ নীচে হজযাত্রী রয়েছে তারা যাতে অন্য হজ এজেন্সির সাথে সমন্বয় করে দেড়শ হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন করেন। অন্যথায় দেড়শ’ কোটার নীচের প্রাক-নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের হজে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। একই দিন হাব মহাসচিবও একই সার্কুলার জারি করেন। এসব সার্কুলারের পরে গত ২৮ মার্চ ৪শ’ ২টি হজ এজেন্সি সর্বনি¤œ কোটার কমে (১৪৬ জনের নি¤œ) মোট ৩৫ হাজার ৬শ’ ১৬ জনের প্রাক-নিবন্ধন করে। একই দিন পর্যন্ত ২শ’৯১টি হজ এজেন্সি ১শ’৪৬ জন ও তদূর্ধ হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এতে ২শ’ ৯১টি এজেন্সি’র সর্বমোট হজযাত্রীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২ হাজার ৫শ’ ৮১জনে।