খুলে দেওয়া হয়েছে আবুধাবির বৃহত্তম শপিংমল ‘ইয়াস মল’

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে আবুধাবির বৃহত্তম শপিংমল ‘ইয়াস মল’  খুলে দেওয়া হয়েছে । এর ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে এমন সমালোচনা থাকলেও কঠোরভাবে ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে মল কর্তৃপক্ষ।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য বাণিজ্য ও চলাচল সীমাবদ্ধ করে আরব আমিরাত। তবে নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করার পর গত সপ্তাহে পুনরায় খুলেছে দেশটির সবচেয়ে বড় শপিংমলটি। তবে মল খুললেও ব্যবসা নয়, ক্রেতা সুরক্ষার বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিয়েছে নানা পদক্ষেপ।

সরকারী বিধিবিধান মেনে ৬০ বছরের বেশি বয়সী এবং ১২ বছরের কম বয়সীদের এই মলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং মলটি আপাতত ৩০ শতাংশ ধারণক্ষমতায় পরিচালিত হবে।

ক্রেতাদের অবশ্যই গ্লোভস এবং মাস্ক পরতে হবে। শপিংমলে থাকাকালে পুরোসময় জুড়ে এটা চালিয়ে যেতে হবে। এক মূহুর্তের জন্যও খোলা যাবে না। ক্রেতা-দর্শনার্থী এবং কর্মচারিদের মলের প্রবেশপথে অবস্থিত স্যানিটাইজেশন গেটওয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

দর্শনার্থীদের আইটেম কেনার জন্য নগদ অর্থের পরিবর্তে কার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং নিজস্ব শপিং ব্যাগ আনতে হবে। সবগুলো প্রবেশদ্বারে রয়েছে থার্মাল ক্যামেরা। যাদের শরীরের তামমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি রেকর্ড করা হবে তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ফিরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে, প্রতি ২০ মিনিট অন্তর লিফট এবং এসকেলেটর স্যানিটাইজ করা হয়। ঘন ঘন হ্যান্ডলস, ট্রলি এবং টিস্যু সরবরাহকারীগুলোর মতো সমস্ত বস্তু যেগুলোতে অধিক মানুষের সংস্পর্শ লাগে বা টাচ পয়েন্টগুলো প্রতিটি ব্যবহারের পরে স্যানিটাইজ করা হয়।

শপিংমলের সমস্ত কর্মীরা সর্বদা গ্লোভস এবং মাস্ক পরবেন। স্টোর এবং সুপারমার্কেটগুলিতে চেক-আউট কর্মীদের অবশ্যই কঠোর স্বাস্থ্যকর রুটিন মেনে চলতে হবে। কঠোর সুরক্ষা কার্যবিধির অংশ হিসাবে তারা প্রতি দুই ঘন্টা পর পর তাদের কর্মীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবে। সুরক্ষা কর্মীদের ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব অনুশীলনগুলো মেনে চলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র- দ্য ন্যাশনাল।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.