মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ আগের জায়গায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার । নতুন করে বাড়তি কর কর্তন করা হবে না। ফলে মোবাইল ও ইন্টারনেট খরচ আগের জায়গায় বহাল থাকবে।
২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল অপারেটরগুলো গ্রাহকদের এসএমএসের মাধ্যমে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির তথ্য জানায় এবং তা কার্যকর করে।
মোবাইল সেবার ওপর বাজেট ঘোষণার আগে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ সারচার্জের ১০ শতাংশ পাশাপাশি সম্পূরক শুল্ক ছিল। সে হিসাবে একজন গ্রাহক মোবাইলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে ২২ টাকা ৭২ পয়সা সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স পেত।
প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট-সারচার্জ হার অপরিবর্তিত রাখলেও সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। এতে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে গ্রাহকের কাছ থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ২৫ টাকা কেটে নেওয়া হয়। ফলে গ্রাহকদের মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ বাড়ে।
সব শ্রেণির মানুষের আয়-রোজগার করোনা পরিস্থিতিতে কমে গেছে। এ অবস্থায় বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপ জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
এ ছাড়া মোবাইল অপারেটরসহ ব্যবসায়ী মহল থেকেও ব্যাপক আপত্তি আসে। ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মোবাইল সেবার সম্পূরক শুল্ক আগের অবস্থানেই নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর। অর্থবিল পাসের দিন এটি সংশোধন করা হতে পারে।
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ মোবাইল ও ইন্টারনেটনির্ভর হয়ে পড়েছে। আর এর মূল কারণ হচ্ছে ডিজিটাল দেশ গড়ার রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার ফসল।
তিনি বলেন, সরকার কলরেট ও ইন্টারনেট ব্যবহার খরচ কমিয়ে আগের জায়গায় ফেরায় গ্রাহকদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
