মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবিলম্বে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি শতাধিক এনজিওর

ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান চালিয়ে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চিসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করে। এ কারণে বিশ্বের ৩১টি দেশের প্রায় ১৩৭টি এনজিও এক খোলা চিঠিতে বিষয়টির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

এর পরই বাহিনীটির বিরুদ্ধে অবিলম্বে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি জোর দাবি জানায় তারা। খবর রয়টার্সের

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) চিঠিতে বলা হয়েছিল, সামরিক অভ্যুত্থানের জবাবে এবং আরও নির্যাতন বন্ধে জান্তাদের ঠেকাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জরুরি বিশ্বব্যাপী অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।

সেখানে আরও বলা হয়, চীন, ভারত, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, ফিলিপাইন, রাশিয়া এবং ইউক্রেনসহ বিশ্বের যেসব দেশ মিয়ানমারে অস্ত্র সরবরাহ করে অবিলম্বে তাদের অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং এ সম্পর্কিত সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।

অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে তিনটি দেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য, স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীনের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে এবং অস্থায়ী সদস্য হিসাবে রয়েছে ভারত।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) পরিচালক কেনেথ রোথ লিখেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা, কয়েক দশক ধরে যুদ্ধাপরাধ এবং নির্বাচিত সরকার উৎখাতের জন্য অন্তত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের ওপর বৈশ্বিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা লিখেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের উচিত মিয়ানমারের জান্তা নেতৃত্ব ও সামরিক কর্তৃপক্ষের ওপর বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাদের সম্পদ জব্দ করা।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.