উড়োজাহাজে উঠে ইনফ্লাইট সেবাদানকারী কেবিন ক্রুদের আর আগের মতো কাছে এসে সেবা দিতে দেখা যাবে না। পিপিই, গগলস, ফেসশিল্ডে মোড়া থাকবেন তাঁরা। দেড় ঘণ্টার কম ফ্লাইটে দেওয়া হবে না খাবার। যাত্রীদেরও বাধ্যতামূলকভাবে পরতে হবে হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে প্লেনে উঠতে হবে, বসতে হবে পাশের সিট খালি রেখে। প্রতি উড়ান শেষে বিমান সংস্থাকে পুরো প্লেন, যাত্রীবাহী বাস সংক্রমণমুক্ত করতে হবে। বেবিচকের কাছ থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে ‘সার্টিফিকেট অব ডিসইনফেকশন’ নিতে হবে, তারপর আরেকটি গন্তব্যে যেতে পারবে। প্রতি গন্তব্যে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা, হেলথ ডিক্লারেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। করোনা প্রতিরোধে এমন অনেক নিয়ম-কানুনে বদলে যাচ্ছে বিমান পরিবহন ব্যবস্থা। আর এতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে ফ্লাইট শিডিউলে। কমে যাবে ফ্লাইট ও যাত্রীসংখ্যা, বাড়বে ব্যয়। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে এভাবেই বিমান চলাচলের প্রস্তুতি নিতে বলেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)
