ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে। সোমবার সকাল থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। তবে রোববার বিকালে আবেদনপত্র জমা নেয়ার মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ নুরুল আলম।
এর আগে গত ২৩শে মার্চ নগরীর মনসুরাবাদ কার্যালয়ে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু করা হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২৫শে মার্চ সাধারণ ছুটির আওতায় সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি অফিস খুলে দেয়ার পর থেকে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম গতি পায় বলে জানান পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মাসুম হাসান। তিনি বলেন, ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও নতুন করে এমআরপি দেয়া হবে না। নতুন সব আবেদনকারীকেই দেয়া হবে ই-পাসপোর্ট।
ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।
১৮ বছরের কম আবেদনকারী যার এনআইডি নেই, তার পিতা-মাতার এনআইডি নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে। অতি জরুরি ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রি-পুলিশ ভেরিফিকেশন নিজ উদ্যোগে করে নিয়ে যেতে হবে। প্রচলিত ব্যবস্থার মতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসার বিষয়টি একই থাকবে। ভিসা কর্তৃপক্ষ বা দূতাবাসগুলো এই পিকেডি ব্যবহার করে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। এরপর বইয়ের পাতায় ভিসা স্টিকার, সিল দিতে পারবে বা বাতিল করে দিতে পারবে।
সূত্রমতে, বিশ্বের সব উন্নত দেশেই এখন ই-পাসপোর্ট চলছে। এতে সুবিধাও অনেক। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে ই-গেট ব্যবহার করে খুব দ্রুত ও সহজে ভ্রমণকারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না।
এর মাধ্যমে ইমিগ্রেশন দ্রুত হয়ে যাবে। ই-গেটের নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রেখে দাঁড়ালে ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। থাকবে ফিঙ্গার প্রিন্ট যাচাইয়ের ব্যবস্থাও। সব ঠিক থাকলে তিনি ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। কোনো গরমিল থাকলে জ্বলে উঠবে লালবাতি। কারও বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেটিও জানা যাবে সঙ্গে সঙ্গে।