বিছনাকান্দির মায়াময় সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে জুন সেপ্টেম্বরেই আদর্শ সময়।
চারদিকে প্রচুর পানি প্রবাহ থাকার কারণে এ সময় বিছনাকান্দির প্রকৃত সৌন্দর্য দেখা যায়।
শুকনো সময়ে এখন পাথরখোকোদের জন্য বিছনাকান্দি ভ্রমণ ততটা উপযুক্ত নয়।
কিন্তু বর্ষায় পাথর তৈরির উৎপাত না থাকার কারণে পাহাড়, নদী, ঝর্ণা ও মেঘের সমন্বয়ে বিছনাকান্দি হয়ে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক গন্তব্য।
বিছনাকান্দি গেলে দেখতে পাবেন পাথরের পর পাথর যেন বিছানা পেতে শুয়ে আছে।
সেইসঙ্গে মেঘালয় পাহাড় থেকে আসা ঠাণ্ডা পানি আর সবুজের সমারোহ ক্ষণিকের জন্য হলেও অন্য এক জগতে নিয়ে যাবে।
বিছনাকান্দিতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে খাসিয়া পাহাড়ের অনেকগুলো ধাপ দুই পাশ থেকে এক বিন্দুতে এসে মিলেছে।
পাথরের খাঁজে রয়েছে সুউচ্চ ঝর্ণা।
ভ্রমণবিলাসীদের জন্য এই স্পটের মূল আকর্ষণ হলো পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা পানির প্রবাহ।
তাছাড়া বর্ষায় থোকা থোকা মেঘ আটকে থাকে পাহাড়ের গায়ে, দেখে মনে হতে পারে মেঘেরা কোলে বাসা বেঁধেছে।