২৫ বিলিয়ন ডলার প্রণোদনার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রে বিমানকর্মীদের বিক্ষোভ

এয়ারলাইন্সে আরও ২৫ বিলিয়ন ডলার প্রনোদনা দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটাল হিলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিমানকর্মী ও পাইলটরা। আগামী মাসে এয়ারলাইন্সে ছাঁটাই রোধে তারা সরকারের কাছে এ দাবি জানিয়েছে। কংগ্রেসের অর্ধেকের বেশি সদস্য তাদের দাবির সমর্থনে কথা বলেছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এয়ালাইন্সে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তবে শিগগির ওয়াশিংটন এয়ারলাইন্সে আরও অর্থ ভর্তুকি দেবে। এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউজ সমন্বিত করোনা রিলিফ প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। তবে তাতে এয়ারলাইন্সের ব্যাপারে আলাদা করে কোনো প্রণোদনার পরিকল্পনা নেই। ফক্স বিজনেসের খবর।
এদিকে সিনেটের ডেমোক্র্যাট ব্লক রিপাবলিকানদের পরিকল্পনা নাকচ করে দেয়ায় প্রণোদনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বড় চুক্তির সম্ভাবনা ধাক্কা খেয়েছে। খবরে বলা হচ্ছে, এয়ারলাইন্সের জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে। এতে ১০ হাজারের বেশি এভিয়েশনকর্মীর চাকরি যেতে পারে। একারণে ফ্লাইটের সংখ্যাও কমাতে হচ্ছে। এই এয়ারলাইন্সগুলো ২৫ বিলিয়ন ডলার অর্থ ছাড় পায়। যা দিয়ে ছয়মাস কর্মীদের বেতন চালিয়ে নিতে তারা সক্ষম হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রণোদনা শেষ হওয়ার পর এখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় তিনটি এয়ারলাইন্স অক্টোবরের শুরুতে আরও ৪০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে। কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর বলছেন, করদাতারা এয়ারলাইন্সগুলোকে যথেষ্ট সহায়তা করেছে।
ফ্লোরিডার রিক স্কট এয়ারলাইন্সগুলোতে প্রণোদনা দেয়ার বিরোধিতা করে বলেন, এত সহায়তা পাওয়ার পরও এয়ারলাইন্সগুলো হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করছে। ওই সহায়তা তাদের দেয়া উচিত ছিল না। প্যাট টুমি নামে আরেকজন বলছেন, করদাতারা কতকাল ধরে এয়ারলাইন্সে ভর্তুকি দেবে।
ইউনাইডেট এয়ারলাইন্স মনে করে বিমানসংস্থায় আরও সরকারি প্রণোদনা দেয়া উচিত। এ সংস্থাটি তাদের পাইলটদের সঙ্গে চুক্তিও করেছে, যাতে তাদের ছাঁটাই হতে না হয়। এই চুক্তির ফলে অন্তত ৩০০০ কর্মীর চাকরি রক্ষা পেয়েছে। আলাস্কা এয়ারলাইন্স, জেটব্লু এবং স্পিরিট এয়ারলাইন্সও পাইলটদের চাকরি রক্ষায় একইরকম চুক্তি করেছে। টুমি বলছেন, এরকম চুক্তি সব এয়ারলাইন্সে হওয়া দরকার। এটা খুবই প্রেরণাদায়ক।
জর্জ ম্যাশন ইউনিভার্সিটির গবেষক ও কলামিস্ট ভোরোনিক ডি রুজি বলছেন, এয়ারলাইন্সকর্মীদের চাকরি ছাঁটাইয়ের ব্যাপারটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করদাতাদের সঙ্গে নয়। করোনাভাইরাস সব খাতকে সংকটে ফেলেছে। তবে বেশি ভোগাচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলোকে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.