সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশনের দেয়া কঠোর শর্তারোপের কারণেই রাষ্ট্রীয় বিমানসংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ তাদের ৪ দিনের শিডিউল ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।
কারণ এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের সৌদি আরব যাওয়ার পরই নিজ খরচে ৭ দিনের কোয়ারেন্টিন বাবদ হোটেলে থাকা-খাওয়া এবং দুই দফা করোনা পরীক্ষা করানোর খরচ ফ্লাইটের টিকিটের টাকা থেকেই সৌদি কর্তৃপক্ষ কেটে নেয়ার কথা জানিয়েছে।
এমন শর্তারোপ জুড়ে দেয়ায় বিমান কর্তৃপক্ষ ২০ থেকে ২৪ মে’র চার দিনের জন্য সব শিডিউল ফ্লাইটগুলো বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।
এ দিকে হঠাৎ করে বিমানের ৪ দিনের মোট ১২টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কারণে সৌদিগামী ফ্লাইটের যাত্রীরা পড়েছেন চরম বেকায়দার মধ্যে।
বাংলাদেশ বিমানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, আগামী ২৪ মে থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সীমিত আকারে (রিয়াদের উদ্দেশে) ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এরপর সৌদির ৩ স্টেশনে (জেদ্দা-রিয়াদ-দাম্মাম) সীমিত আকারে ফ্লাইট যাবে।
তারা জানান, ২৪ মে দুবাইয়ের উদ্দেশেও বিমানের একটি ফ্লাইট ছেড়ে যাবে।
তবে এসব স্টেশনগুলোতে বিমানের ১৬২ সিটের (বোয়িং-৭৩৭) ছোট এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইট চালানো হবে।
সেই হিসাবে দুবাইয়েও সপ্তাহে দুটি এবং সৌদি আরবের ৩ স্টেশনে সপ্তাহে ২টি করে মোট ৬টি ফ্লাইট চলাচল করবে।
যাত্রী পাওয়া গেলে তখন আরো ফ্লাইট বাড়ানো হবে বলে জানান তারা।