শুক্রবারের (২৮ মে) ইউরোপীয় ওষুধ সংস্থা (ইএমএ) বারো থেকে পনেরো বছর বয়সী শিশুদের ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এতে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি শুরুর পথ তৈরি হয়েছে।-খবর ফিন্যানসিয়াল টাইমস ও বিবিসির
এমন এক সময় এ ঘোষণা এসেছে, যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় পরিচালক বলেছেন, অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষের টিকা দেওয়া না হলে মহামারির অবসান হবে না।
ইএমএ বলছে, ১২-১৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়াতে ঝুঁকির চেয়ে উপকারিতাই বেশি হবে। বিশেষ করে সেই সব শিশুর, যাদের মারাত্মকভাবে করোনায় আক্রান্তের শঙ্কা রয়েছে।
ইএমএ’র বায়োলজিক্যাল হেলথ থ্রেটস অ্যান্ড ভ্যাকসিনস স্ট্যাটেজির প্রধান মার্কো ক্যাভেলিরি বলেন, ভবিষ্যতে শিশু-কিশোরদের কখন কিংবা আদৌ করোনার টিকা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনই। অথবা যেসব শিশুরা করোনার মারাত্মক ঝুঁকিতে, কেবল তাদের মধ্যেই টিকা বিতরণ সীমিত রাখা হবে কিনা, এখন সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতিমধ্যে ১৬ কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সীদের জন্য করোনার টিকার অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে জার্মানি বলেছে, ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের টিকার দেওয়ার পরিকল্পনার কথা ভাবছে তারা।