মিসরের ইজিপ্ট এয়ারে সঙ্গে অসম চুক্তি করে লিজ নেওয়া দুটি উড়োজাহাজ ফেরত দিতে গিয়ে কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছিলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের।
বিষয়টি নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের চাপের মুখে সেই লিজের সময়ে দায়িত্ব না থাকলেও বিমানের পরিচালক (প্রকৌশল) গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) খন্দকার সাজ্জাদুর রহিম ও প্রধান প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) গাজী মাহমুদ ইকবালকে অব্যাহতি দিয়ে দায় সারে বিমান পরিচালনা পর্ষদ।
এবার আয়ারল্যান্ড থেকে ২০০৯ সালে ইজারায় নেওয়া পুরাতন দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ফেরত না দিয়ে কিনে নিতে চাইছে বিমান।
লিজের উড়োজাহাজ ফেরত দেওয়ার খরচ ও জটিলতা এড়াতে এই কৌশলে অবলম্বন করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।
সূত্র জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আয়ারল্যান্ড থেকে ২০০৯ সালে দুটি বোয়িং ৭৩৭ -৮০০ উড়োজাহাজ লিজ নেয়।
দুটির রেজিস্ট্রেশন এস২-এএফএল এবং এস২-এএফএম।
উড়োজাহাজ দুটি ফেরত দিতে হলে মেরামত করে আগের অবস্থায় করতে যে ব্যয় হবে তার চেয়ে কম টাকা কিনতে পারবে বিমান।
এ কারণে ২০০১ সালে তৈরি করা উড়োজাহাজ দুটি ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে কিনে নেওয়ার চেষ্টা বিমান কর্তৃপক্ষের।
এজন্য উড়োজাহাজ দুটি ক্রয়ের আমদানি অনুমতির পেতে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে পুরাতন উড়োজাহাজ দুটি কিনতে খরচ হবে প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা। যদিও পুরাতন উড়োজাহাজ না কিনতে পরামর্শ উঠে আসছে আলোচনায়।