মাত্র কয়েক কোটি টাকা মুনাফা করতে গিয়ে হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিমানবহরে আসা নতুন আটটি উড়োজাহাজের।
যাত্রী কেবিনে ভারী কার্গো বহন করায় মূলত এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এর মধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, ২টি বি৭৩৭ এবং ভাড়ায় আনা ২টি এয়ারক্রাফটের শতাধিক সিটের (আসন) হাতল দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। পুরোপুরি এবং আংশিক ভেঙে গেছে অর্ধশতাধিক সিট।
বিকল এবং যান্ত্রিক ত্রুটির সৃষ্টি হয়েছে ৭০টির বেশি মুভি সেটের।
এছাড়া নষ্ট হয়েছে ইন্টেরিয়র ডেকোরেটর, টয়লেট, ফ্লোর, দেওয়াল, খাবার রাখার গ্যালিসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র।
কাদা, রং আর কেমিক্যাল লেগে একাকার হয়ে গেছে সব উড়োজাহাজের সিটের কাপড়, ভেতরের দেওয়াল এবং দেওয়ালে আঁকা নান্দনিক চিত্রকর্মের।
ভাড়ায় আনা উড়োজাহাজগুলোর ক্ষতি এতটাই হয়েছে যে, সেগুলো এখন আর মালিকপক্ষ নিতে চাচ্ছে না।
এগুলো রীতিমতো ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দেখা দিয়েছে।
বাধ্য হয়ে বিমানকেই কিনে নিতে হচ্ছে।
ইতোমধ্যে বিমানের পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ওই বিমান কিনে নিতে সব পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আর কেনা না হলে এ বড় ক্ষতির নেপথ্যে যে সিন্ডিকেট জড়িত, তা ফাঁস হওয়ার শঙ্কা রয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্তদের।