ভারতে Air India-র বিমানের ইঞ্জিনে আগুনবিরাট দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

মাস্কাট থেকে কোচিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানে হঠাৎ ধোঁয়া দেখা যায়। এই ঘটনার পরেই ওই বিমানের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বলা হচ্ছে বিমানের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়। ফ্লাইট নম্বর আইএক্স ৪৪২-এর মাস্কাট থেকে কোচি যাওয়ার কথা ছিল।
বিমানটি উড়ান শুরু করার আগেই সেখান থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখে তখনই টেক-অফ বাতিল করা হয় এবং সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়।

বিগত কয়েকমাস ধরেই যাত্রীবাহী বিমানে প্রায়শই অগ্নিসংযোগের খবর সামনে আসছিল। বিশেষ করে স্পাইসজেটের বিমানে। যা নিয়ে দেওয়া হয়েছিল তদন্তের নির্দেশ। আবারও সেই একই ঘটনা ঘটেছে। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে ইন্ডিয়ার বিমান (Air India)। ওমানের রাজধানী মাসকটের বিমানবন্দর থেকে কেরলের কোচির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের ইঞ্জনে আগুন লাগে।

মাসকট থেকে কোচি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট IX 442। বিমানের মধ্যে ছিল ১৪১ জন যাত্রী। যাদের মধ্যে ছিল চারটি শিশু এবং ছয়জন ক্রু সদস্য। বুধবার ওমানের রাজধানী মাসকটের বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের একটি ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই বিমানযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভারতের বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা ‘ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন’ (ডিজিসিএ)-এর তরফে জানানো হয়েছে বিমানে থাকা সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিজিসিএ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেসের বিমান IX 442 মাসকট বিমানবন্দরে  রানওয়েতে থেকে উড়তে যাওয়ার সময়ে একটি ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া নির্গত  হতে দেখা যায়। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এয়ারক্রাফ্ট, একটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর পিছনে পার্ক করা ছিল। সেখান থেকেই  ধোঁয়াটি সনাক্ত করা হয়েছিল। একটি বিবৃতিতে, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বলেছে, “এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস’ মাসকট থেকে কোচি ফ্লাইট IX 442, ১৪১ জন যাত্রী নিয়ে, আজ ১১২০ ঘন্টায় (স্থানীয় সময়)  যাত্রা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এটি ট্যাক্সিওয়েতে থাকার সময়, অন্য একটি বিমান একটি ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া পর্যবেক্ষণ করার খবর দিয়েছে। তবে ককপিটে আগুনের কোনো সতর্কবার্তা ছিল না।”  তারপরেই জানানো হয়, এটি যোগ করেছে, ” অত্যন্ত সতর্কতার বিষয় হিসাবে, এবং নির্ধারিত SOPs অনুসরণ করে, ক্রুরা ট্যাক্সিওয়েতে থামে এবং অনবোর্ড ইঞ্জিনের অগ্নি নির্বাপককে সক্রিয় করে। এরপর বিমান থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়।”

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.