অপেক্ষমাণ কোটাবঞ্চিত হজযাত্রীদের পাঠাতে কোটা আদায়ে সচেষ্টা হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এহরামের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে হাব সমন্বয় পরিষদ। গতকাল বেলা ১১টা থেকে জাতীয় প্রেস কাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অপেক্ষমাণ ২০ হাজার হজযাত্রীকে পাঠাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। অভিযোগ করে বলা হয়, সৌদি সরকার ১১ হাজার ৫৬ জনের কোটা দিতে চাইছে; কিন্তু অজানা কারণে ধর্মমন্ত্রী ও হাব সেই কোটা নিচ্ছে না। নানা ঝামেলার যুক্তি দেখিয়ে হজযাত্রীদের হজে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
পরিষদের আহ্বায়ক রুহুল আমিন মিন্টুর নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বক্তৃতা করেন ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ, হাবের সাবেক সভাপতি মো: জামাল উদ্দিন, সাবেক সহসভাপতি তাজুল ইসলাম দারোগা, সমন্বয় পরিষদের সদস্যসচিব ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক রেজাউল করীম উজ্জল, মাওলানা কারী গোলাম মোস্তফা, মো: নাজমুল হুদা, মাওলানা জাকারিয়া, মাওলানা কামরুল ইসলাম আনসারী, মুজিবুল হক শুক্কর, মো: শাহ আলী, মো: শহিদুল্লাহ খান, মাওলানা আজিজুর রহমান বুলবুলি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা না এলে আমরা আল্লাহর ঘরের মেহমানদের মক্কায় পাঠাতে অবস্থান চালিয়ে যাবো। গত ১ মাস থেকে ধর্মমন্ত্রী ও আমরা সবাই কোটা আসার ব্যাপারে বহুবার ধর্মমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে আমাদের অনুরোধে একাধিকবার কোটার জন্য চিঠির রিমাইন্ডার ও সরাসরি মোবাইলে মক্কা হজ মিশন ও মোজাজ্জামায় মন্ত্রী এ কথা বলেছিলেন। কিছু কুচক্রী মহল কোটা আসতে বিলম্ব করায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার ও নিরীহ হজযাত্রীদের হতাশায় ফেলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী যিনি হজযাত্রীদের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক, আমরা তার সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই মুহূর্তেই ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা আনার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য হাজার হাজার অপেক্ষমাণ হজযাত্রীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাচ্ছি। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ২০ হাজার কোটার আদেশ না আসবে আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে আজ ধর্মমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং কাল থেকে আশকোনা হাজী ক্যাম্পে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
আরও খবর