ভিসা দিতে অকারণে কড়াকড়ি ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের

indian-high-comission2ঢাকার গুলশান থেকে যিনি ফোন করেছিলেন, তিনি মাতৃসমা। বছরের অধিকাংশ সময়ই থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ের কাছে। ঢাকায় এলে কলকাতা দেখতে ব্যাকুল হন। ঢাকা থেকে আনেন ইলিশ, পোড়াবাড়ীর চমচম, চমৎকার শার্ট। পুত্র স্নেহের প্রত্যক্ষ নিদর্শন। তার স্বামী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব। এ বছর সেরা রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদকে ভূষিত। বর্তমানে প্রথম সারির দৈনিকে উপদেষ্টা সম্পাদক। সেই স্নেহশীলা জননী বিষণœ গলায় বললেন, ‘না, এবার কলকাতায় যাওয়া হলো না। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস ভিসা নামঞ্জুর করেছে। পুরনো পাসপোর্ট দেখাতে পারিনি তাই। নতুন পাসপোর্টে আমেরিকা ভিসা দিল, ভারত না করল। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দূতাবাসের প্রধান কাজ ভিসা দেয়া। দিনে ৩ হাজার ভিসা ইস্যু হয়। যারা পান তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। ৬ মাস আগে অনলাইনে আবেদন। কবে ডাক পাবে অজানা। ডাক পেয়েও প্রশ্নবাণে জর্জরিত। চিকিৎসার জন্য যাদের যাওয়ার তাড়া, তারাও অসহায়। অসীম ধৈর্যের পরীক্ষা।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ জুলাই গুলশানে নাশকতার পর দূতাবাস সতর্ক। কিন্তু তারা বোঝে না, সন্ত্রাসীরা পাসপোর্ট-ভিসার পরোয়া করে না। গুলশান হামলার নেপথ্যের তামিম আহমেদ চৌধুরী নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হওয়ার আগে নির্বিঘেœ মুর্শিদাবাদ যাতায়াত করেছেন বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.