আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ঈদ উপহার দেবে বিমান
ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় ও স্মরণীয় করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় ও স্মরণীয় করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের জন্য বিশেষ ঈদ উপহার ও উৎসবমুখর খাবারের আয়োজন করেছে এয়ারলাইনসটি। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিনে ভ্রমণ করা যাত্রীদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানিয়েছে, ঈদের দিন দেশের বাইরে গমনকারী সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে বিশেষ ঈদ উপহার বিতরণ করা হবে। এর মাধ্যমে যাত্রীদের ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে ও বিমানের ভেতরে ঈদের আবহ তৈরি করতেও নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর বালাকা ভবনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদ উপহারের প্যাকেজ সেলস সাপোর্ট সেন্টারের (এসএসসি) মহাব্যবস্থাপকের কাছে হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমানের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডি-সিইও সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ, কাস্টমার সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক বদরুল হাসান লিটনসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় বিমানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, শুধু উপহারই নয়, ঈদের দিনে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় রুটের যাত্রীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য পরিবেশিত খাবারে থাকবে উৎসবের আমেজ ও ভিন্নতা। এর মাধ্যমে বিমানে ভ্রমণরত যাত্রীরা যেন ঈদের আনন্দ কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের ছুটির সময় দায়িত্ব পালনরত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রেও যেন উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বলছে, যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করা এবং গ্রাহকবান্ধব কার্যক্রমের পরিধি বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। সংস্থাটি মনে করছে, বিশেষ দিবসগুলোতে এমন আয়োজন যাত্রীদের সঙ্গে বিমানের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে এবং যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
