এয়ার অ্যাস্ট্রার বহরে নতুন উড়োজাহাজ, তিন মাসে দ্বিগুণ
মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি সময়ে বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজের বহর দ্বিগুণ হয়েছে।
মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি সময়ে বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজের বহর দ্বিগুণ হয়েছে। নতুন আরও একটি এটিআর ৭২–৬০০ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ায় সংস্থাটির মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়টি।
বুধবার নতুন উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এস২–এসটিএফ নিবন্ধনের এই উড়োজাহাজটি সর্বাধুনিক প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি পিডব্লিউ১২৭এক্সটি ইঞ্জিনে পরিচালিত। এতে মোট ৭২টি আসন রয়েছে।
এয়ার অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, এর আগে তাদের বহরে আরও দুটি নতুন এটিআর ৭২–৬০০ উড়োজাহাজ যুক্ত হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজটি যুক্ত হওয়ার ফলে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য তুলনামূলক আরামদায়ক ও উন্নত সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, তৃতীয় নতুন এটিআর ৭২–৬০০ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়া সংস্থাটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি সময়ে উড়োজাহাজের সংখ্যা দ্বিগুণ করে ছয়টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এ অর্জন এয়ার অ্যাস্ট্রার কর্মীদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি যাত্রী ও অংশীদারদের আস্থার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলে এয়ার অ্যাস্ট্রার সক্ষমতা আরও বাড়বে। যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা ও সেবার পরিধি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বহর বড় হওয়ায় ভবিষ্যতে নতুন রুট চালুর ক্ষেত্রেও সংস্থাটি আরও বেশি সক্ষমতা অর্জন করবে।
এয়ার অ্যাস্ট্রা শুধু অভ্যন্তরীণ বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালনার জন্য সংকীর্ণ পরিসরের উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে তারা।
সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় উড়োজাহাজ সংগ্রহ, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং পরিচালন প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতে এয়ার অ্যাস্ট্রার কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হতে পারে।
এয়ার অ্যাস্ট্রার বহর সম্প্রসারণের এই উদ্যোগ দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহন বাজারেও প্রতিযোগিতা ও সেবার পরিধি বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় পরিচালন প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সেই সম্প্রসারণ পরিকল্পনার আরও একটি ধাপ এগিয়ে গেল।
