ইউএস এম্বাসির অ্যাকসেস প্রোগ্রামে সমৃদ্ধি হালদারের অনন্য সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত দুই বছর মেয়াদি ‘ইংলিশ অ্যাকসেস প্রোগ্রাম’ সফলভাবে সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট অব অ্যাচিভমেন্ট অর্জন করেছেন শিক্ষার্থী সমৃদ্ধি হালদার। সম্প্রতি এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এই সনদ তুলে দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর এ সনদ অর্জন করেন। সনদে স্বাক্ষর করেন ইউএস এম্বাসি ঢাকার কাউন্সেলর ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স মনিকা শি।

সুজন হালদার ও সংগীতা মোস্তাফি পিংকির একমাত্র কন্যা সমৃদ্ধি ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি ভাষা, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রতি আগ্রহী। তাঁর এই ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবার অত্যন্ত গর্বিত। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে নিজের মেধা ও দক্ষতাকে আরও বিকশিত করাই সমৃদ্ধির লক্ষ্য।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা, স্টেম ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে ধারাবাহিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমৃদ্ধি ইতোমধ্যে একাধিক সনদ অর্জন করেছেন। ইউএস এম্বাসি ঢাকা ও আমেরিকান কর্নার চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব সাফল্য অর্জন করেন তিনি।

এর আগেও ২০২৪ সালে ইউএস এম্বাসি ঢাকার পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত ১৬ ঘণ্টাব্যাপী ‘ইংলিশ অ্যাকসেস মাইক্রোস্কলারশিপ প্রোগ্রাম ইনটেনসিভ ক্যাম্প ২০২৪’ সফলভাবে সম্পন্ন করেন সমৃদ্ধি। এ উপলক্ষে তাকে সনদ প্রদান করা হয়। সনদে স্বাক্ষর করেন অ্যাক্টিং পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সেলর স্কট হার্টম্যান।

এ ছাড়া ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি সেন্টার (এলপিসি) ও ইউএস এম্বাসির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাকসেস ইনটেনসিভ ক্যাম্প ২০২৪’-এও সফলভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কর্মসূচির সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানেও সমৃদ্ধির অংশগ্রহণ ছিল।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট ইউএস এম্বাসি ঢাকার উদ্যোগে ‘ইংলিশ অ্যাকসেস মাইক্রোস্কলারশিপ প্রোগ্রাম’-এ সফলভাবে অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতি হিসেবে তাকে সার্টিফিকেট অব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ওই সনদে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি. হাস।
একই বছরের ৩ অক্টোবর আমেরিকান কর্নার চট্টগ্রাম আয়োজিত ‘ইনোভেটিং উইথ STEM টুলস: আ সেশন ফর স্কুল-লেভেল স্টুডেন্টস’ শীর্ষক কর্মশালায় সফলভাবে অংশগ্রহণের জন্য সার্টিফিকেট অব অ্যাটেনডেন্স অর্জন করেন সমৃদ্ধি।
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই ইংরেজি ভাষা, প্রযুক্তি, স্টেম এবং বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে আগ্রহী সমৃদ্ধি এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরের শিক্ষামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর ধারাবাহিক এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং তাঁর পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও গর্বের বিষয়।
আগামী দিনে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে দেশের জন্যও অবদান রাখার প্রত্যাশা সমৃদ্ধির। তাঁর এই সাফল্যের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।