বগুড়ার নন্দীগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া করে সন্তানসম্ভবা এক গৃহবধূর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তার নাম গীতা রানী (২৪)।
তিনি নন্দীগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের প্রবাসী রতন চন্দ্রের স্ত্রী ও ১০ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। শনিবার প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাহ করা হয়।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি নাসির উদ্দিন ও স্বজনরা জানান, অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ গীতা রানীর স্বামী ও বাবার বাড়ি পাশাপাশি। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বাবার বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলে শাশুড়ি বাধা দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। রাতে গীতা ঘরে তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। শনিবার প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশের সৎকার করা হয়।
অন্যদিকে আদমদীঘি থানার এসআই ফজলুল হক জানান, শুক্রবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে শামিমা আক্তার মাখন (২০) নামে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেন।
এসআইন জানান, শীতের পিঠা খাওয়া নিয়ে শামিমার সঙ্গে মায়ের বাগ্বিতণ্ডা হয়। রাতে তিনি ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। শনিবার প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই কলেজছাত্রীর লাশ দাফন করা হয়।
শামীমা আদমদীঘি উপজেলার দক্ষিণ গণিপুর গ্রামের আজিজার রহমানের মেয়ে ও নওগাঁ মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
