ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির রেকর্ডপত্র প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেবে আদর্শ ঢাকা আন্দোলন। আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ এ কথা বলেন।
এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘এই নির্বাচনের রেকর্ডপত্র আমাদের কাছে আছে। এগুলো প্রস্তুত রেখেছি। প্রয়োজন হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব রেকর্ডপত্র পৌঁছে দিতে আমরা প্রস্তুত আছি, পৌঁছে দেব। এ জন্য রেকর্ডপত্রগুলো গুছিয়ে রেখেছি।’
এমাজউদ্দীন আহমদ প্রশ্ন তোলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে যদি এই হয়, তাহলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী হবে? যা হয়েছে, তার চেয়ে ব্যতিক্রম কিছু হবে? তখন ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের চেয়েও খারাপ হতে পারে।
বিদেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন এমাজউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশপ্রেমিক সৈনিক বাইরে যান শান্তিরক্ষার জন্য। তাঁদেরও হয়তো কোনো সময় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। বলা হতে পারে, আগে নিজের দেশের শান্তিরক্ষা করবেন, না বিদেশের শান্তিরক্ষা করবেন? তাঁদের ডাকা হয়নি। ডাকলে তাঁরা আসতেন। নির্বাচনে যা ঘটেছে, তাঁরা থাকলে তা না-ও ঘটতে পারত।’
সিটি নির্বাচনে নিয়মকানুন ছিল না বলে মন্তব্য করেন এমাজউদ্দীন। তিনি বলেন, এমন নির্বাচন তিনি তাঁর জীবনে দেখেননি। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করে তাঁদের ‘অপদার্থ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, কেন তাঁরা (নির্বাচন কমিশন) যোগ্যতা প্রদর্শন করলেন না, এর উত্তর দেওয়ার সুযোগ হয়তো তাদের হবে না। কিন্তু এর জন্য তাদের বিবেকের কাছে উত্তর দিতে হবে।
অল কমিউনিটি ফোরাম নামের একটি সংগঠন ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচন: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আযম খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন আশরাফ উদ্দিন।