করোনা আতঙ্কে বিমান চলাচল স্থগিত রাখতে পারে ইন্ডিগো-ভিস্তারা

ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। করোনাভাইরাস আতঙ্কে ডোমেস্টিক রুটেও যাত্রী সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে গিয়েছে ৩০ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে আগামী কয়েকদিনের জন্য বিমান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারে ইন্ডিগো এবং ভিস্তারা। খবর তেমনই।

ইন্ডিগো এশিয়ার সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যৌথ ভাবে বিমান চালায় টাটার সংস্থা ভিস্তারা। এই দুই সংস্থাই সমস্ত রুটে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দিতে পারে। ইন্ডিগোর ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের প্রধান অসীম মিত্র সমস্ত পাইলটকে ইমেল মারফত জানিয়ে দিয়েছেন, “আগামী কয়েকদিনের জন্য হয়তো একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সে ব্যাপারে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।”

ইতিমধ্যেই একাধিক ইউরোপীয় সংস্থা বিমান সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের মতো সংস্থা যাত্রী সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। গত কয়েকদিনে ইন্ডিগো, ভিস্তারা-সহ ভারতের একাধিক বিমান সংস্থার ১৫০টি উড়ান বসে গিয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকের বক্তব্য, ইন্ডিগো, ভিস্তারা এই সিদ্ধান্ত নিলে এরপর অন্য সংস্থাগুলিও ভাববে। সেক্ষেত্রে বিমান পরিষেবা পুরোপুরি স্তব্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

ইন্ডোগোর অন্যতম অধিকর্তা অসীম মিত্র জানিয়েছেন, “অর্থনীতির রেখাচিত্র ক্রমশ নীচের দিকে নামছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা সমস্ত এয়ারলাইন্স সংস্থাকেই হয়তো চরম সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” তিনি বলেন, সারা পৃথিবী নভেল করোনাভাইরাসকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। আমরা আশা করি দুর্বিসহ এই নপরিস্থিতি থেকে খুব শিগগিরই মুক্তি পাব। কিন্তু এখন যদি চরম সিদ্ধান্ত নিতেও হয় সেটা হবে পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে। সাময়িক।”

এই সময়ের মধ্যে টিকিট বাতিলের হিড়িক পড়ে গিয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। গতকাল দুপুরে দিল্লি থেকে গুয়াহাটিগামী ইন্ডিগোর বিমানে যাত্রী ছিলেন মাত্র ১১জন। ফলে সব মিলিয়ে বিমান পরিষেবা স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কা।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.