ইউএস বাংলা শর্তসাপেক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আনবে

করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকায় ব্যাপক লোকসানে পড়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো।

এমন প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বেসরকারি বিমান সংস্থা আইকাও’র বিধিমালা অনুসারে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে শর্তসাপেক্ষে পণ্য পরিবহনের সুযোগ দিচ্ছে সিভিল এভিয়েশন। জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী ও খাদ্যপণ্য ছাড়া বাণিজ্যিক পণ্যও পরিবহন করতে পারবে বিমান সংস্থাগুলো।

করোনার বিস্তার ঠেকাতে চীন ছাড়া সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ। সবশেষ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে নিষেধাজ্ঞার সময়। ফলে আয় না থাকলেও উড়োজাহাজ লিজের ভাড়া , রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করতে গিয়ে সংকটে পড়েছে এয়ারলাইন্সগুলো। এ অবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাঠামো ও ওজনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে পণ্য পরিবহনের সুযোগ দিয়েছে সিভিল এভিয়েশন।

সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতে যেখানে প্যাসেঞ্জার চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, সেখানে নিত্রাপত্তার মাধ্যমে পণ্য সরবাহের উৎসাহের কারণে ইউএস বাংলাকে সুবিধা দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অন্য কেউ চাইলে তাদেরকেও একই ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

আগামী সপ্তাহ থেকে পণ্য পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএসবাংলা। জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী আমদানিসহ ছাড়াও তৈরি পোশাক, সবজি ও ফলমূলসহ অন্যান্য রপ্তানি পণ্য পরিবহন করবে সংস্থাটি।

ইউএসবাংলা জিএম কামরুল ইসলাম বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে যেন আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস আমদানি করতে পারি।

আকাশ সেবা চুক্তির আওতায় ৫৩টি দেশে পণ্য পরিবহন করতে পারবে এয়ারলাইন্সগুলো। সাধারণত যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের কার্গো হোলে ৪ থেকে সর্বোচ্চ ২০ মে.টনের বেশি পণ্য পরিবহন করা যায় না। তবে যাত্রী না থাকলে উড়োজাহাজের আকার ভেদে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৬০ মে. টন পর্যন্ত পণ্য পরিবহন সম্ভব। কর্পোরেট সেবা দেয়া হেলিকপ্টার সার্ভিসও এই সুযোগ পাবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.