রোববার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণে ২১১৬ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতর সম্মেলন কক্ষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়।
ভবন নির্মাণে এই চুক্তিতে বেবিচকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান। অন্যদিকে কার্যাদেশ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপের পক্ষে বাংলাদেশের কাণ্ট্রি হেড হ্যারল্ড হুয়াং স্বাক্ষর করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, প্রকল্পের কাজ শেষ হতে ২ বছর ৯ মাস সময় লাগবে। প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অত্যাধুনিক টার্মিনাল ভবন, একটি কার্গো ভবন, আধুনিক এটিসি টাওয়ার, ট্যাক্সিওয়ে ও এপ্রোন এবং আধুনিক ফায়ার স্টেশন স্থাপন সম্ভব হবে। এর ফলে বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৬ লাখ থেকে ২০ লাখে উন্নীত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, এই প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের একটি দূরদর্শী ও অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
তিনি বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপেকে বেবিচকের ডেভেলপমেন্ট পার্টনার হিসেবে স্বাগত জানান। প্রতিষ্ঠানটি সিলেটে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, অত্যাধুনিক সুবিধা সম্পন্ন ও দৃষ্টিনন্দন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
হ্যারল্ড তার বক্তব্যে বেইজিংসহ বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। সিলেটে দৃষ্টি নন্দন অত্যাধুনিক মানের স্থাপনা নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটি সক্ষম হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেবিচক ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
