তুরস্কের একটি উড়োজাহাজ কোম্পানির দপ্তরে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২২ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন টিএআইয়ের কর্মী, অন্যজন ট্যাক্সিচালক। গতকাল বুধবার রাজধানী আঙ্কারার কাছে এ ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসি।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়ারলিকায়া জানিয়েছেন, আঙ্কারার কাহরামানকাজানে তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের স্থাপনায় সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। হামলায় পাঁচ জন মারা গেছেন এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন।
তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে দুই সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। হামলার নিন্দা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
হেবারটুর্ক টিভির এক খবরে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা কর্মীদের শিফট পরিবর্তনের সময় একদল হামলাকারী একটি ট্যাক্সি নিয়ে প্রতিরক্ষা কোম্পানিটির ভবন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। এ সময় একজন হামলাকারী বড় ধরনের বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং সেই সুযোগে অন্য হামলাকারীরা ভবনে ঢুকে গুলি চালাতে শুরু করে। সেখানে জিম্মি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
হামলার জন্য তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো সংগঠন দায় স্বীকার করেনি, তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পিকেকে এবং আইএসের আগে তুরস্কে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছিল।
হামলার পর ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুত্তে এক্সে এক বার্তায় বলেন, মিত্র তুরস্কের পাশে রয়েছে ন্যাটো। আমরা সন্ত্রাসের নিন্দা জানাচ্ছি এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।
তুসাস তুরস্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা এবং এভিয়েশন কোম্পানি। এটি তুরস্কের প্রথম দেশীয় যুদ্ধ বিমান কেএএএন উত্পাদন করে।