কার্বন নিঃসরণের দিক বিবেচনায় অন্যান্য যেকোনো পরিবহন ব্যবস্থার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি কার্বন ছাড়ে বিমান।
আকাশযানটির এই কার্বন নিঃসরণ অনেকটা তার আকার ও ইঞ্জিনের কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করে।
এসব বিষয় মাথায় নিয়ে কার্বনশূন্য বিমান বাজারে আনছে ব্রিটেন।
ইতোমধ্যে নতুন এই প্রযুক্তি উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে তেলের বদলে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হবে তরল অ্যামোনিয়া।
এ নিয়ে এখনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। ২০৩০ সালের মধ্যেই বিমানটি আকাশে ওড়ানো সম্ভব হবে।
এর মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ অনেকটা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দ্য গার্ডিয়ান বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে বলছে, বাণিজ্যিক বিমানের চেয়ে অনেক বেশি কার্বন নির্গত করে ব্যক্তিগত বিমানগুলো।
আর তাই কার্বন নির্গমন ও পরিবেশ-আবহাওয়া দূষণ কমাতে আরও উন্নত বিমান প্রযুক্তি তৈরির চেষ্টা চলছে।
