নতুন রূপে এমিরেটস, আকাশজুড়ে আমিরাতের জাতীয় পতাকা
দুবাইভিত্তিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন এমিরেটস তাদের একটি এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজে নতুন লিভারি বা বাহ্যিক নকশা উন্মোচন
দুবাইভিত্তিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন এমিরেটস তাদের একটি এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজে নতুন লিভারি বা বাহ্যিক নকশা উন্মোচন করেছে, যেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় পতাকাকে আরও আকর্ষণীয় ও আধুনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নতুন এই নকশাটি দেখা গেছে এ৬-ইভিজি উড়োজাহাজে, যা আকাশে আরও দৃশ্যমানভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় পরিচয় তুলে ধরবে।
নতুন লিভারিতে উড়োজাহাজটির গায়ে বড় আকারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকার রঙ ও নকশা ব্যবহার করা হয়েছে। এমিরেটসের পরিচিত টেইলফিন ডিজাইন বজায় রেখেই এতে আরও আধুনিক ও প্রাণবন্ত রূপ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উড্ডয়নরত বিমানগুলোতে আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে আমিরাতের জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এয়ারবাস এ৩৮০ বহরের অন্যতম পরিচালনাকারী এমিরেটস দীর্ঘদিন ধরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় প্রতীককে তাদের ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। নতুন এই লিভারি সেই ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে এমন সময়ে এই নকশা উন্মোচন করা হয়েছে, যখন দেশটির নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য ও গর্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছে।
সম্প্রতি দুবাইয়ের শাসক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ও ভবনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি পতাকাকে দেশের ঐক্য, শক্তি ও গর্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতেই এমিরেটসের এই নতুন লিভারি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাটি ১৯৭১ সালে ডিজাইন করেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ আল মাঈনাহ। লাল, সবুজ, সাদা ও কালো—এই চারটি রঙ আরব ঐক্য ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। নতুন এই লিভারির মাধ্যমে সেই ঐতিহ্য এখন আকাশপথেও আরও শক্তভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এমিরেটসের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আহমেদ বিন সাঈদ আল মাকতুম আগেও বলেছেন, এমিরেটসের প্রতিটি উড়োজাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের অগ্রগতি, আধুনিকতা ও বৈশ্বিক পরিচয়ের প্রতীক। নতুন এই লিভারি সেই বার্তাকেই আরও দৃশ্যমান করেছে।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে উড্ডয়নকারী এই এয়ারবাস এ৩৮০ এখন শুধু যাত্রী পরিবহনই করবে না, বরং আকাশে উড়ন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবেও পরিচিত হবে।
