দোহা, তেল আবিব ও বৈরুত রুটে এয়ার ফ্রান্সের ফ্লাইট স্থগিত ২০ মে পর্যন্ত

ফ্রান্সের জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে তাদের ফ্লাইট স্থগিতের সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে

ফ্রান্সের জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে তাদের ফ্লাইট স্থগিতের সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোহা, তেল আবিব এবং বৈরুত রুটে ফ্লাইট স্থগিত থাকবে ২০ মে পর্যন্ত। অন্যদিকে রিয়াদ রুটে স্থগিতাদেশ বাড়িয়ে ১২ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

৭ মে প্রকাশিত নতুন সময়সূচিতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের চলমান রুট কাটছাঁটের মধ্যেই এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং কিছু আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণেই এই সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে এয়ার ফ্রান্স।

এর আগে ২৬ মার্চের সময়সূচি অনুযায়ী দোহা ও রিয়াদ রুটে স্থগিতাদেশ ছিল ৩১ মার্চ পর্যন্ত, আর তেল আবিব ও বৈরুত রুটে ছিল ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে সর্বশেষ পরিবর্তনে এই তারিখগুলো আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের শুরুতেই এই রুটগুলোতে ব্যাঘাত অব্যাহত থাকবে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে এয়ার ফ্রান্স তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন পরিকল্পনায় প্রায় ১৭০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা ৭৩টি দেশকে যুক্ত করবে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার রুটে সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

প্যারিস চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে লাস ভেগাসে নতুন ফ্লাইট চালু হচ্ছে ১৫ এপ্রিল থেকে। এছাড়া নিউয়ার্ক রুটে দৈনিক দ্বিতীয় ফ্লাইট যুক্ত করা হয়েছে জুন থেকে।

এশিয়ার বিভিন্ন রুটে চাহিদা বাড়ায় ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, টোকিও এবং ওসাকা রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কিছু রুটে বড় আকারের উড়োজাহাজও ব্যবহার করা হচ্ছে।

অন্যদিকে এয়ার ফ্রান্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেএলএমও রিয়াদ, দাম্মাম এবং দোহা রুটে ২৮ জুন পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। ইউরোপের আরও কয়েকটি এয়ারলাইন্সও একই ধরনের সীমিত সময়সূচি অনুসরণ করছে।

বিশ্বের অন্যান্য এয়ারলাইন্স যেমন ইতা এয়ারওয়েজ, রয়্যাল এয়ার মারোক, লুফথানসা গ্রুপ, ক্যাথে প্যাসিফিক এবং সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু রুটে ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছে বা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে।

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবগুলো যেমন এমিরেটস এবং এতিহাদ এয়ারওয়েজ তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক বজায় রেখেছে, যার ফলে ইউরোপ-এশিয়া রুটে যাত্রীদের জন্য বিকল্প সংযোগের সুযোগ রয়েছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.