করোনাভাইরাস মহামারীতে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের পর ব্রাজিলই একমাত্র দেশ যেখানে মৃত্যু ৫০ হাজার ছাড়াল। দেশটিকে করোনার ‘হটস্পট’ বিবেচনা করা হচ্ছে।
ব্রাজিলে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ৬১৭ জন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে। কারণ দেশটিতে সীমিত আকারে করোনা টেস্ট করা হচ্ছে।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তিনি যথাযথ পদক্ষেপ নেননি এবং বিষয়টিকে গুরুত্বই দেননি।
করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় ব্যর্থতার জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। তিনি শুরু থেকেই করোনাভাইরাসকে গুরুত্ব না দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এমনকি এত সংক্রমণের মধ্যেও দেশটিতে লকডাউন দেয়ার বিপক্ষে তার অবস্থান। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বে পরপর দুজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এরপর থেকে দেশটি এখনও স্থায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী পায়নি
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসেনারোর বিরুদ্ধে বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর তাই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবিতে রাজপথে নেমেছে হাজার হাজার জনতা।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনাও ব্রাজিলে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমাতে পারেনি।
দুর্নীতির অভিযোগে প্রেসিডেন্টের সাবেক এক সহযোগী এবং তার বড় ছেলে গ্রেফতার হলে জেইর বলসেনারোর পদত্যাগ চেয়ে রোববার রাজপথে নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের অনুসারীরাও তার সমর্থনে রাজপথে নেমেছে। তাদের দাবি, কংগ্রেস এবং সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা করছে।