সাইবার হামলার আশঙ্কায় ব্যাংকগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমিত করা হয়েছে অনলাইন লেনদেন ও এটিএম বুথের সেবা। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
প্রতিটি ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারাও সতর্ক রয়েছেন। যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করছেন সরকারের ই-গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (সার্ট) সঙ্গে। সার্টের কর্মকর্তারাও তাদের সাইবার ল্যাবে সার্বক্ষণিকভাবে ‘ক্যাসাব্ল্যাঙ্কা’ নামের ম্যালওয়্যার ভাইরাসের ওপর নজর রাখছেন। এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা সম্ভব না হলেও এটি কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের ডাটা চুরি করেছে।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের আর্থিক ও সরকারি খাতের ১৯টি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবপেইজে ‘ক্যাসাব্ল্যাঙ্কা’ নামের একটি ম্যালওয়্যারের সন্ধান পাওয়ার পরই এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
সার্টের এই বার্তা পাওয়ার পরই ব্যাংকগুলো তাদের প্রতিটি শাখা ও এটিএম বুথের প্রধানকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দিয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইন লেনদেনে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাত ১১টার পর থেকে কয়েকটি ব্যাংক তাদের এটিএম বুথের সার্ভার বন্ধ রাখে। ফলে ওই দিন টাকা তুলতে পারেননি গ্রাহকরা।
এ প্রসঙ্গে সার্ট প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ বলেন, ভাইরাসটি কিভাবে ক্লিন করতে হবে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। তারা সেভাবে কাজ করছে। কোনো সমস্যা হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
সূত্র জানায়, সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাকেও সাইবার হামলার আশঙ্কার বিষয়টি জানানো হয়েছে। ফলে তারাও সতর্ক রয়েছেন। এটিএম বুথগুলোতেও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সুত্রঃ যুগান্তর