করোনাকালে ব্যয় কমেছে মার্কিনদের । জুলাইয়ে মার্কিন নাগরিকদের ব্যয়ের পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। নতুন করে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ বাড়ার ফলে এমনটা হয়েছে। সংক্রমণ বাড়ার ঘটনায় ব্যয়ের জন্য বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্রে যেতে না পারায় খরচের পরিমাণ কমেছে। খবর এপি।
জুনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে মৌসুমি খুচরা বিক্রির পরিমাণ কমেছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি বেশ বড় ধরনের হ্রাসের ঘটনা। বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, এ সময়ে খুচরা বিক্রির পরিমাণ দশমিক ৩ শতাংশ কমতে পারে।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে প্রাথমিক একটি স্পষ্ট চিত্র দেখা যায়, কভিড-১৯-এর ডেল্টা ধরনের সংক্রমণ কীভাবে মার্কিন নাগরিকদের দৈনন্দিন খরচের অভ্যাসে প্রভাব রেখেছে। জুলাইয়ের শেষ দিকে ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) পরামর্শ দিয়েছে যে কভিড টিকার সম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণকারীরাও যেন অভ্যন্তরীণ জনসমাগমস্থলে মাস্ক পরিধান করেন।
মার্কিন বহুজাতিক খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট চলতি বছরের জন্য তাদের বার্ষিক বিক্রয় দৃষ্টিভঙ্গি আরো বাড়িয়েছে। এতে দেখা যায়, সংক্রমণ বাড়ার এ সময়ে মার্কিনিরা তাদের কেনাকাটা করার হার একই রকম রেখেছে। কিন্তু মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটার হারও আগের তুলনায় কমতে শুরু করেছে। জুনের তুলনায় জুলাইয়ে অনলাইন কেনাকাটার হার ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, এ সময়ে পোশাক, আসবাব ও ক্রীড়া সরঞ্জাম বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রিও অনেকটা কমেছে। তবে রেস্তোরাঁ ও বারের খরচের পরিমাণ বেড়েছে ২ শতাংশের কাছাকাছি। সাম্প্রতিক মাসগুলোর তুলনায় এ ব্যয়েও শ্লথগতি দেখা দিয়েছে। কভিড-১৯-এর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আগে লোকজন রেস্টুরেন্ট ও বারগুলোতে মাস্ক পরিধান ব্যতীতই আড্ডা দিতে নিরাপদ বোধ করত।