‘দেশে কোনো নির্বাচন হবে না’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। কারণ এই দেশে হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে ভোট চুরি হয়।

এসময় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে আওয়াজ তুলেন- আওয়ামী লীগের নাম কী? নেতা-কর্মীরা তখন স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে ভোট চোর, ভোট চোর।

আজ বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয়তাবাদী যুবদল এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অনির্বাচিত, গণবিরোধী ও দেশবিরোধী সরকার ভয় দেখাতে অতীতে র‌্যাব দিয়ে গুম করেছে। এখন পুলিশের ডিবি দিয়ে গ্রেপ্তার করছে। এই ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। জনগণের ন্যায়স েঙ্গত দাবিকে কখনো কোনো দিন অস্ত্র দিয়ে দাবিয়ে রাখা যায় না। অতীতেও যায়নি। প্রভাবশালী ডিক্টেটর হিটলার পারেনি, পরিণতিতে বিষপাণ করে মৃত্যুবরণ করেছে। ইরাকের সাদ্দাম মাটির নিচে গুহায় লুকিয়েও বাঁচতে পারেনি। মুসোলিনি পারেনি, আইয়ূব-ইয়াহিয়া ও ভুট্টো পারেনি। এই আওয়ামী লীগ সরকারও পারবে না।

তিনি বলেন, ২০১৩ সাল থেকে গুম করা হচ্ছে। হাজারো নেতা-কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। থানায় নিয়ে পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ৩৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে কী কোনো ভয় সৃষ্টি করাতে পেরেছে, কোনো লাভ হয়েছে? হয়নি। আওয়ামী লীগ মেগা প্রজে ূক্টের মাধ্যমে মেগা দুর্নীতি করছে। আর লম্বা লম্বা কথা বলে যে, নির্বাচন হবে সংবিধান মোতাবেক। অথচ সংবিধান তো তারাই কেটে-ছেটে শেষ করেছে। এই দেশে আর কোনো বিনাভোটের নির্বাচন হবে না। প্রতিটি রাস্তায়, পাড়া-মহল্লায় ঘরে ঘরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে।

আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করে দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচতে আবারও একদলীয় বাকশালে ফিরে যেতে চাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.