হাসির পাত্র সালমান!

54947c9077b2b6348b2a1500a64380c6-salmanদিন কয়েক আগে ভারতের যোধপুরের একটি আদালত তলব করেছিলেন অভিনেতা সালমান খানকে। মায়াহরিণ শিকার মামলায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য। সে সময় সালমান বলেন, তিনি নাকি হরিণটিকে মারেননি। স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সেই হরিণের। সালমানের সেই জবানবন্দির খবর বাইরে ছড়িয়ে পড়লে বলিউডের ‘সুলতান’-কে নিয়ে শুরু হয় হাসিঠাট্টা।

২৭ জানুয়ারি সালমান খানের পাশাপাশি অভিনেত্রী টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নিলমকেও আদালতে তলব করা হয়। তাঁরাও জবানবন্দি দেন। প্রায় ১৯ বছর আগে সালমান খানের বিরুদ্ধে মায়াহরিণ শিকারের মামলাটি করা হয়। মামলা দায়ের পরপরই একবার সবার কাছ থেকে নেওয়া হয় জবানবন্দি। নতুন করে আবার ১৭ জানুয়ারি জবানবন্দি রেকর্ড করে পুলিশ।

সালমান খানের জবানবন্দি বাইরে ছড়িয়ে গেলে তা নিয়ে শুরু হয় হাসিঠাট্টা। সেদিন থেকেই ভারতে সালমানের এই বক্তব্য হয়ে ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত বিষয়। টুইটারে একজন লেখেন, ‘সালমান বলেছেন, হরিণটি স্বাভাবিকভাবেই মারা গেছে। সত্যিই তা–ই। সালমানের কাছে কাউকে মেরে ফেলা খুবই স্বাভাবিক বিষয়!’ আরেকজন সালমানের সেই ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বক্তব্যকে ব্যঙ্গ করে টুইটারে লেখেন, ‘হ্যাঁ, স্বাভাবিক মৃত্যুই ছিল ওটা। সালমান বন্দুক বের করেছেন, আর তা দেখেই হার্ট অ্যাটাক করেছে হরিণ!’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সালমান খানকে দেখে অনেক বেশি বিস্ময় সইতে পারেনি হরিণটি, তাই মরে গেছে।’

তা ছাড়া কিছু সংবাদমাধ্যমও সালমানের এই জবানবন্দি নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা করছে। স্কুপহুপ নামের একটি নিউজপোর্টাল ‘যে দশভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল মায়াহরিণের’ শিরোনামে একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলার রায় শোনানো হবে যোধপুরের আদালতে। ইন্ডিয়া টুডে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.