স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী দু’দিনের মধ্য চট্টগ্রাম, সিলেট বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর ও বেনাপোল বন্দরে ১০টি নতুন স্ক্যানার বসানো হবে। আমরা এখন সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত আছি।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আসন্ন জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২০ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিমানবন্দরে স্ক্যানারের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, সেটা পূরণ হয়েছে। আমরা দুই মাস আগেই পাঁচটি স্ক্যানার অর্ডার দিয়েছিলাম, সেটা গত সপ্তাহে হাতে পেয়েছি। বৃহস্পতিবার সামিট গ্রুপ পাঁচটি দিয়েছে। ফলে বর্তমানে স্ক্যানার নিয়ে সমস্যা নেই। বিমানবন্দরে দু’টি স্ক্যানার দু’বার যাত্রীরা ভেঙে ফেলেছে, দুবারই মেরামত করতে হয়েছে।
দেশে নতুন কোনো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়নি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত তিনজন মোটামুটি সুস্থ। তাদের যে কোনোদিন ছেড়ে দেওয়া হবে। এ ধরনের আরও রোগী পাওয়া গেলে আমাদের যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবো। আমাদের বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায় হাসপাতালগুলো রেডি আছে।
স্কুলে সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হবে কিন্তু এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি। কারা এগুলো সরবরাহ করবে এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা শুধু স্কুল নিয়েই চিন্তা করি না। আমরা শিল্প কারখানার কথাও চিন্তা করছি। যেখানে অনেক জনসমাগম হয়ে থাকে। আমরা এসব স্থানে স্যানিটাইজার দেওয়ার কথা বলেছি। এটা স্কুল কর্তৃপক্ষরাই দিতে পারে। আর স্যানিটাইজার বলতে হাত ধোয়াকে বুঝিয়েছি।
স্কুলে নির্দেশনা কে দিয়েছে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্কুলের দেখাশোনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় করে থাকে। আমরা শুধু নির্দেশনা বা পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমরা আবারও চিঠি লিখবো। যেখানে যেটা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে, সেখানে সেটা করে যাচ্ছি।
হাসপাতালগুলোকে কোনো সার্ভে করা বা নিউমোনিয়া হলে করোনার টেস্ট হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে যারা আসছে তাদের আমরা হাসপাতালে ভর্তি করছি। যাদের প্রয়োজন মনে হচ্ছে তাদের পরীক্ষা করছি করোনা আছে কিনা। পরীক্ষা করে দেখছি, যেখানে যখন প্রয়োজন হচ্ছে সেখানে টেস্ট দিচ্ছি।
তিনি বলেন, আমরা নির্দেশ দিচ্ছি চিটাগং, কক্সবাজারে টেস্টিং সুবিধা চালু করার। এছাড়া যেসব স্থানে টেস্টিং সুবিধা আছে সবগুলোতেই চালু হয়ে যাবে।
