রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারের অভিযোগে ডিএসই পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন গ্রেফতার

বুধবার (০৬ মে) ঢাকার পুঁজিবাজারে বিএলআই সিকিউরিটিজের কর্ণধার মিনহাজ মান্নান ইমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকার বনানী থেকে মিনহাজ মান্নান ইমনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৩ এর কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আবু জাফর মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ।

রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারের অভিযোগে র‌্যাবের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। কিশোর ও মুশতাককে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

বাকিরা হলেন- জার্মানিতে থাকা ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, সুইডেনে থাকা সাংবাদিক তাসনিম খলিল, দিদারুল ভূঁইয়া, মিনহাজ মান্নান, সায়ের জুলকারনাইন, আসিফ ইমরান, স্বপন ওয়াহিদ, সাহেদ আলম ও ফিলিপ শুমাখার।

গত মঙ্গলবার এই মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী মুশতাক আহমেদকে গ্রেফতারে পর বুধবার আটক করা হয় মিনহাজ মান্নানকে।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ফেসবুক ব্যবহার করে জাতির জনক, মুক্তিযুদ্ধ, করোনাভাইরাস মহামারী সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র/সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিপ্রায়ে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানো, অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ফেসবুকে ‘I am Bangladeshi’ পেইজে সম্পৃক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে কিশোর, মুশতাক, দিদারুলকে, যে পেজ থেকে রাষ্ট্রের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল বলে র‌্যাবের দাবি।

হোয়াটস অ্যাপ ও ফেইসবুক মেসেঞ্জারে কিশোর ও মুশতাকের সঙ্গে তাসনিম খলিল, সায়ের জুলকারনাইন, শাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দিনের ‘ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ’ পাওয়ার দাবিও করেছে র‌্যাব।

দিদারুল ও মিনহাজ ফেসবুকে মুশতাকের ‘ফ্রেন্ড’ উল্লেখ করে এজাহারে বলা হয়েছে, তাদের সাথে হোয়াটস অ্যাপ ও ফেইসবুক মেসেঞ্জারে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

Comments (0)
Add Comment