এভিয়েশন নিউজ, ঢাকা : আন্তর্জাতিক মর্যাদাপুর্ণ পুরস্কার ‘ইতিহাদ পার্টনার অ্যাওয়ার্ড’ পেল বাংলাদেশের রাস্ট্রীয় ক্যারিয়ার বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স। বিমানের দেয়া উন্নত মানের গ্রাউন্ড সার্ভিসের কারণে বিমানকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। বিমানের পক্ষে এয়ারলাইন্সের পরিচালক (কাস্টমার সার্ভিস) আতিক সোবহান এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহন করেন। ইতিহাদ কতৃপক্ষ জানিয়েছে, মুলত কাস্টমার সার্ভিস বিভাগের পরিচালক আতিক সোবহানের দক্ষ পরিচালণা, মনিটরিং ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে বিমান এই আন্তর্জাতিক মর্যাদাপুর্ণ অ্যাওয়ার্ড লাভ করতে পেরেছে। এতে দেশে বিদেশে বিমানের সুনাম অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এর জন্য পুরো কৃতিত্বের দাবিদার আতিক সোবহান। গত ১৭ নভেম্বর হোটেল লা মেরিডিয়ান হোটেলে এক ঝাকঝমকপুর্ণ অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও ঢাকাস্থ মার্কিন রাস্ট্রদূত বার্ণিকাট আতিক সোবহানের হাতে এই অনন্য পুরস্কার তুলে দেন। এসময় ইতিহাদের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস্ট্রদূতসহ বিমান ও সিভিল এভিয়েশনের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পরিচালক আতিক সোবহান বলেন, বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং এখন আগের তুলনায় শতভাগ উন্নতি হয়েছে। বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলো যারা আমাদের গ্রাউন্ডহ্যান্ডেলিং সেবা নিচ্ছে তারা এখন বিমানের উপর অনেক খুশি । ইতিহাদের পার্টনার অ্যাওয়ার্ড অর্জন এরই ধারবাহিকতায় বিমান অর্জন করেছে। বর্তমানে ইতিহাদ ঢাকা থেকে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালণা করছে।
আতিক সোবহান বলেন, শুধু গ্রাউন্ডহ্যান্ডেলিংয়ে এখন জনবল বেড়েছে। দ্রুত কাজ হচ্ছে। যাত্রীরাও এতে খুশি বিমানের ওপর। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সেবা বাড়ানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরিন রুটের যাত্রী সেবাও অনেকে বেড়েছে। অভ্যন্তরিন রুটের লাগেজ হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এখন গড়ে ৩০ মিনিটের মধ্যেই যাত্রীরা বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহ করতে পারছেন। দিনে রাতের এই চিত্র এখন বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস বিভাগে। এয়ারক্রাফট নামার সঙ্গে সঙ্গে এখন বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস বিভাগের গাড়ি হাজির হচ্ছে রানওয়েতে। কোন
উড়োজাহাজকে এখন জিএসই‘র ইকুইপমেন্টের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। আতিক সোবহান বলেন, গ্রাউন্ড সার্ভিস বিভাগের সেবা দেয়া ও যাত্রীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে লাগেজ ডেলিভারী দেয়ার জন্য সার্বক্ষনিক বিমানের মাননীয় চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এনামুল বারী চৌধুরী ও বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোসাদ্দেক আহম্মেদ মনিটরিং করছেন। তারা নানাভাবে আমাদের সাহস ও উৎসাহ দিচ্ছেন। শিগগিরই কাস্টমার সার্ভিস বিভাগে আরো জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।আরো আধুনিক ইকুইপমেন্ট আনা হচ্ছে। এতে কর্মীরা দারুন উৎসাহে নিয়ে কাজ করছে। শুধু বাইরে নয়, কাস্টমার সার্ভিস বিভাগের আওতাধীণ বিমানের কেবিন ক্রুরাও বিমানের ভেতরে যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একারণে প্রতিদিন অনেক যাত্রী তাকে টেলিফোন করে ধন্যবান জানান এবং কেবিনে ক্রুদের এরকম সেবা অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আশা করছেন াচিরে বিমানের সেবা আরো বৃদ্ধি পাবে।