নেপালের ভূমিকম্প-দুর্গতদের সাহায্যের জন্য গত রোববার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে একটি ত্রাণ মেলার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, চীন, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের কনস্যুলেট এই মেলায় অংশ নেয়।
আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হন নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং। এই উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
নেপালে ভূমিকম্পের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেদেশে ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা নেয় বলে উল্লেখ করেন গ্রেস মেং।
এই কংগ্রেসম্যান জানান, যুক্তরাষ্ট্রে যেসব নেপালি নাগরিক অবৈধ হিসেবে অবস্থান করছেন, তাঁদের অস্থায়ী বৈধতা দেওয়ার কথা ভাবা হবে। ভূমিকম্পের কারণে তাঁদের অনেকে দেশে ফিরতে পারছেন না। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বর্তমানে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের বিবেচনায় রয়েছে।
আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন।
নিউইয়র্কে নেপালের কনসাল জেনারেল ও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টের একজন প্রতিনিধিও বক্তব্য দেন।
মেলার পাশাপাশি একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আসা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল নাচ ও গান পরিবেশন করে।
বিদেশি কনস্যুলেট থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে নেপালের ভূমিকম্প-দুর্গতদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়। প্রবল বৃষ্টি সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিক এই ত্রাণ মেলায় অংশ নেন।
